
ইহুদিবাদী রাষ্ট্র ইসরাইল এবং ফিলিস্তিনের মধ্যকার দ্বন্দ্ব নিরসন করার বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে দুই পক্ষের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিয়েছে রাশিয়া। রাশিয়ান পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ জানিয়েছেন, ইসরাইল এ ধরনের বৈঠকের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়নি, তবে সুনির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণার বিষয়ে তারা এখনো প্রস্তুত নয়।
গত শুক্রবার রাজধানী মস্কোয় ফিলিস্তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী রিয়াদ আল-মালিকির সঙ্গে বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমরা দেখতে পাচ্ছি যে, বাইরে কিছু দেশ ফিলিস্তিন সমস্যাকে পেছনে ফেলে রাখতে চায়, আঞ্চলিক এ সমস্যাকে অগ্রাধিকার দিতে চায় না।’
এ প্রচেষ্টার মোকাবেলায় তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন ফিলিস্তিনি ঐক্য প্রতিষ্ঠার ওপর। সাথে সাথে তিনি আন্তর্জাতিক প্রস্তাব লঙ্ঘন ও ফিলিস্তিন ইস্যুতে আমেরিকার অবস্থানের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস ও প্রতিদ্বন্দ্বী ফাতাহর মধ্যে ২০১৭ সালের বৈঠকের কথা উল্লেখ করে ২০১৯ সালে এ ধরনের আরেকটি বৈঠক অনুষ্ঠানের প্রস্তাব করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে ফিলিস্তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী রিয়াদ মালিক বলেন, ফিলিস্তিনি পক্ষ ইসরাইলের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে সবসময় রাশিয়ার আমন্ত্রণ গ্রহণ করতে প্রস্তুত রয়েছে। তিনি বলেন, এ ধরনের বৈঠকের জন্য ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন কিন্তু ইসরাইল তা প্রত্যাখ্যান করেছে।
এসময় রিয়াদ মালিক ফিলিস্তিনিদের অধিকার রক্ষার বিষয়ে ইসরাইলের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে রাশিয়াসহ আন্তর্জাতিক সমাজের প্রতি আহ্বান জানান।
