
ফাতেহ ডেস্ক
আসছে রোববার বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এতে রেকর্ড গড়ে নির্বাচিত হতে পারেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। তবে তার সরকারের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে। গণমাধ্যমকর্মী ও বিরোধীদলের নেতাদের হেনস্থা করেছে ক্ষমতাসীন সরকার। কিন্তু বাংলাদেশে দ্রুত অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে অবদান রাখার কারণেই টানা তৃতীয়বারের মতো জয়ী হওয়ার এ সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তিনি জয়ী হতে পারেন। কথাগুলো বলা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর এক বিশেষ প্রতিবেদনে।
সিএনএনের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এখন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে রয়েছেন ৭১ বছরের শেখ হাসিনা। ২০০৮ সাল থেকে দেশ চালাচ্ছে তার দল। মাঝে ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচন বয়কট করে প্রধান বিরোধী দলসহ অনেকে। ফলে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে নির্বাচিত হন তিনি। টানা দুই মেয়াদে দেশের ব্যাপক উন্নতি সাধন করেছে বর্তমান সরকার। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে যা উল্লেখযোগ্য। এ কারণে ফের নির্বাচিত হতে পারেন বঙ্গবন্ধু কন্যা।
মার্কিন গণমাধ্যমটিতে উঠে এসেছে, বাংলাদেশের প্রধান বিরোধীদল বিএনপি সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ৭৩ বছরে খালেদা জিয়ার কথাও। তিনি কারাবন্দি থাকায় এবারের জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারছেন না। কিন্তু তার দল নির্বাচনী মাঠে-ময়দানে রয়েছে। জোরেশোরে প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছে। তবুও তাদের হারিয়ে রেকর্ড টানা তিনবার ক্ষমতায় আসতে পারেন শেখ হাসিনা। তবে বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য-প্রণোদিত।
নির্বাচনে সহিংসতা প্রতিরোধে সারাদেশে তৎপর রয়েছে আইনশৃংখলা বাহিনী। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দাবি-সুষ্ঠু, সুন্দর, উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট হবে। নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারবেন ভোটাররা।
গেল অক্টোবরে সংসদে পাস হয়েছে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন। সিএনএনের দাবি, বিতর্কিত আইনটির কারণে বাংলাদেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব হবে। সোশ্যাল মিডিয়ায খোলাখুলিভাবে নিজেদের মতামত প্রকাশ করার সাহস পাবে না জনগণ। তবে সবকিছুর ঊর্ধ্বে, ওই দিন নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রত্যাশা করেছে গণমাধ্যমটি।
