
ফাতেহ ডেস্ক
নির্বাচন-পরবর্তী রাজনৈতিক দলগুলোকে গণভবনে ‘সংলাপে ডাকার’ খবর দেওয়ার একদিন পর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এবার জানিয়েছেন, সংলাপের জন্য নয় কেবল শুভেচ্ছা বিনিময়ের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে গণভবনে ডাকা হবে।
সোমবার বিকেলে রাজধানীর গুলিস্থানে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের মিলনায়তনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ১৯ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের বিশাল বিজয় সমাবেশ উপলক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচন নিয়ে সংলাপের কোনো বিষয় এখন নেই। কেবল শুভেচ্ছা বিনিময়ের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে ডাকা হবে।
একাদশ সংসদ নির্বাচনের ফল প্রত্যাখ্যানের পর জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট সরকারকে নতুন নির্বাচনের পথ তৈরি করতে সংলাপের আহ্বান জানিয়েছিল। তবে প্রথম থেকেই এ দাবি ‘অযৌক্তিক’ বলে আসছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। গতকাল রোববার অনেকটা আকস্মিকভাবে সাংবাদিকদের ওবায়দুল কাদের বলেন, যেসব দল ও জোটের সাথে সংলাপ হয়েছিল, তাদের আবার চিঠি দিয়ে সংলাপে ডাকবেন তিনি প্রধানমন্ত্রী।
এমন খবর গণমাধ্যমে প্রকাশের পর ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে সংলাপের ইস্যু জানতে চেয়ে বক্তব্য দিচ্ছেন শীর্ষ নেতারা। আজ সোমবার নির্বাচন বাতিলের ইস্যুতে সংলাপে বসতে আগ্রহের কথা জানান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও। কিন্তু এমন বক্তব্যের একদিন পরই দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের এক অনুষ্ঠানে ওবায়দুল কাদের জানালেন, নির্বাচন নিয়ে সংলাপের কোনও বিষয় নেই। তিনি বলেন, ‘যে নির্বাচন নিয়ে গণতান্ত্রিক বিশ্বে কোনও সংশয় নেই, গণতান্ত্রিক বিশ্বের কোনও প্রশ্ন নেই সেখানে সংলাপের প্রশ্ন হাস্যকর।’
সেক্ষেত্রে গণভবনে দলগুলোকে ডাকার উদ্দেশ্যর বিষয়ে কাদের বলেন, নির্বাচনের আগে ঐক্যফ্রন্টসহ যে ৭৫টা দল সংলাপে অংশ নিয়েছিল তাদের সঙ্গে নির্বাচন-পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময়ের জন্য তাদের আমন্ত্রণ জানাতে চান প্রধানমন্ত্রী। এখানে কোনও সংলাপের আমন্ত্রণ জানাচ্ছি না। সংলাপ নয়, শুভেচ্ছা বিনিময় হবে। কোনো সংলাপের আমন্ত্রণ আমরা জানাচ্ছি না।
এইচআর
