‘আমি ধর্ষণ মামলার মূলহোতা’ : লাশের গলায় ঝুলানো চিরকুট

ফাতেহ ডেস্ক

সাভারের আশুলিয়া থেকে উদ্ধার করা গুলিবিদ্ধ একটি লাশের গলায় ‘আমি ধর্ষণ মামলার মূলহোতা।’ লেখা সম্বলিত একটি চিরকুট ঝুলানো পেয়েছে পুলিশ। নিহতের নাম রিপন (৩৯)। এ নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

সাভারের খাগান এলাকার আমিন মডেল টাউনের ভেতরে খালি এক মাঠ থেকে বৃহস্পতিবার (১৭ জানুয়ারি) রাতে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

পোশাক কারখানার এক নারী শ্রমিককে গণধর্ষণের মূল আসামি নিহত রিপন। তার বাড়ি ঝিনাইদহ জেলার কালিগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা। তিনি আশুলিয়া এলাকার ইয়াগী বাংলাদেশ লিমিটেড কারখানার শ্রমিক।

সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আওয়াল বলেন, ‘রিপনের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া তার গলায় ঝুলিয়ে রাখা পরিচয় পত্রটির সত্যতা পাওয়া গেছে।’

তবে কে বা কারা রিপনকে হত্যার পর এখানে ফেলে রেখে গেছে এ বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি পুলিশের এই কর্মকর্তা।

আশুলিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি, তদন্ত) জাবেদ মাসুদ বলেন, ‘গণধর্ষণের শিকার নারীর মৃত্যুর ঘটনায় তার বাবার দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি রিপন।’

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে আমিন মডেল টাউনের ভেতরে খালি মাঠে এক ব্যক্তির লাশ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে বিষয়টি সাভার মডেল থানায় জানানো হয়। খবর পেয়ে পুলিশ নিহতের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এ সময় তার গলায় ঝুলিয়ে রাখা একটি কাগজে লেখা ছিল ‘আমি ধর্ষণ মামলার মূলহোতা।’

প্রসঙ্গত, গত ৭ জানুয়ারি আশুলিয়ায় ধর্ষণের ঘটনায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করার একদিন পর নির্যাতনের শিকার নারীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়। এর আগে গত ৫ জানুয়ারি সন্ধ্যায় কারখানা ছুটির পর বাড়ি ফেরার উদ্দেশে রওনা দেয় ওই নারী।

এ সময় স্থানীয় রহিম, শিপন ও কারখানার লাইন চিফ রিপনসহ পাঁচ বখাটে তার গতিরোধ করে। পরে তাকে কারখানার পেছনে একটি মাঠে নিয়ে ধর্ষণ করে তারা।

এইচআর

আগের সংবাদহজযাত্রীদের চোখে যারা পানি ঝরায়, তাদের চোখে রক্ত ঝরাব : ধর্মপ্রতিমন্ত্রী
পরবর্তি সংবাদরোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর অর্ধেকেরই অবস্থান এখন বাংলাদেশে