
খতমে নবুওতের অস্বীকারকারী ব্রিটিশের পা চাটা গোলাম, মুসলিম উম্মাহর জঘন্য শত্রু, গোলাম আহমদ কাদিয়ানী সর্বশেষ নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মাধ্যমে নবুয়তের ধারাবাহিকতা সমাপ্ত হওয়ার বিষয়কে অস্বীকার করে ব্রিটিশদের দালালি এবং মুসলমানদের ধোঁকা দেয়ার নিমিত্তে মিথ্যা নবুয়ত দাবি করেছিল।
ভারত সাম্রাজ্যকে যেসকল ব্রিটিশ বেনিয়ারা দীর্ঘ ১৯০ বছর গ্রাস করেছিল, তাদের তল্পিবাহক হয়ে মির্জা গোলাম আহমদ কাদিয়ানী ভন্ড নবুয়তের দাবিদার সেজে ইসলামধর্মের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য প্রোপাগান্ডায় লিপ্ত হয়। আহমদীয়া মুসলিম জামাত নামধারণ করে সরলমনা মুসলমানদের ধোঁকা দিয়ে ঈমানহারা করে চলেছে। তাদের এই জঘন্য ষড়যন্ত্র শীঘ্রই বন্ধ করুন। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে হেফাজত আমির এই হুশিয়ারী উচ্চারণ করেছেন।
আল্লামা শাহ আহমদ শফী বলেন কাদিয়ানী ইজম-এর উৎস পাকিস্তানে। ১৯৭৪ সালের ৭ই সেপ্টেম্বর পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ সংবিধান সংশোধনীর মাধ্যমে মির্জা গোলাম আহমদ কাদিয়ানীর অনুসারীদের ইসলামের গণ্ডিবহির্ভূত অমুসলিম সংখ্যালঘু ঘোষণা করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কাদিয়ানীদের অমুসলিম ঘোষণা করা হয়েছে।
বাংলাদেশেও তাদের অমুসলিম ঘোষণা করার জোর দাবি জানাচ্ছি।
আল্লামা আহমদ শফী বলেন, দেশে হিন্দুরা হিন্দু নামে, খ্রিস্টানরা খ্রিস্টান নামে, বুদ্ধরা বুদ্ধ নামে বসবাস করে যাচ্ছে, এ বিষয়ে আমাদের কোন মাথাব্যথা নেই। কিন্তু কাদিয়ানীরা অমুসলিম হওয়া সত্ত্বেও ‘আহমদীয়া মুসলিম জামাত’ নামে নিজেদের মুসলমান বলে বিশ্বনবীর খতমে নবুওতকে পদদলিত করে যাচ্ছে। এই মাসের শেষের দিকে পঞ্চগড়ে তারা ইজতেমা করার যে দুঃসাহস’ করেছে, তা অচিরেই বন্ধ করতে হবে। নইলে খতমে নবুওত আন্দোলনের সাথে একাত্মা পোষণ করে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ কাদিয়ানীদের বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে। তাদের এই নগ্ন আস্ফালন বন্ধ করাসহ কাদিয়ানীদের অমুসলিম ঘোষণা করতে হবে। অন্যথায় লক্ষ কোটি তৌহিদী জনতার ঈমানী চেতনায় যে কোন প্রতিবন্ধকতা ও ষড়যন্ত্র নস্যাৎ হয়ে যাবে।
