
ফাতেহ ডেস্ক
রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় প্রেমের ফাঁদে ফেলে এক স্কুলছাত্রীকে (১৩) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মনির (৩২) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গতকাল মঙ্গলবার উপজেলার মাটিকাটা ইউনিয়নের ভাটোপাড়া এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। আজ বুধবার সকালে মনিরকে আটক করে গোদাগাড়ী মডেল থানা পুলিশ।
এ ব্যাপারে পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আটক মনিরের বাড়ি উপজেলার রিশিকুল ইউনিয়নের ভাজনা গ্রামে। সেখান থেকে ভাটোপাড়া এলাকায় এসে ওই স্কুল ছাত্রীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে সে। গতকাল মঙ্গলবার রাতে ওই ছাত্রীর সঙ্গে দেখা করতে এসে তাকে ধর্ষণ করে মনির।
এদিকে নেত্রকোণায় ৪ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ করেছে তার খালু। শিশুটি ময়মনসিংহ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত খালু সাহেব আলীকে (৩২) আটক করেছে। সাহেব আলী সদর উপজেলার দক্ষিণ বিশিউড়া গ্রামের ইজ্জত আলীর ছেলে।
মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) সন্ধ্যার পর এ ঘটনা ঘটে। এসময় টের পেয়ে বাড়ি ও আশপাশের লোকজন সাহেব আলীকে ধরে বেঁধে ফেলে। অন্যদিকে শিশুটিকে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাাতলে ভর্তি করে। অবস্থার অবনতি হলে বুধবার সকালে শিশুটিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায় কর্তব্যরত চিকিৎসকরা।
খবর পেয়ে পুলিশ রাতেই সাহেব আলীকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
অন্যদিকে ফুঁসলিয়ে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়েছে ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে। সোমবার (১৮ মার্চ) রাতে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার ভালুকারপুর গ্রামের পশ্চিম উলুয়াকান্দা পাড়ায় এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ধর্ষণের শিকার ওই মেয়েটির প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় বর্তমানে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় শিশুটির মামা লিটন মিয়া (৩৫) বাদী হয়ে গৌরীপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ এ ঘটনার সাথে জড়িত একই গ্রামের মৃত আব্দুল মুন্নাফের ছেলে শাহিন মিয়া (৫৫) ও ইদ্রিস আলীর ছেলে নয়ন মিয়াকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, সোমবার রাত ৮টার দিকে ভালুকাপুর গ্রামে স্থানীয় আলতু মিয়ার বাড়িতে অনুষ্ঠিত ওরসে যায় ওই মেয়েটি। এসময় শাহিন মিয়া তাকে ফুঁসলিয়ে বাড়ির পাশে একটি ঝোঁপে নিয়ে যায়। সেখানে শাহিন মিয়া, নয়ন মিয়া ও অজ্ঞাত আরো দু’জন তাকে জোরপূর্বক পালাক্রমে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। পরদিন সকালে মেয়েটি উক্ত ধর্ষণের ঘটনা তার পরিবারের লোকজনকে জানায়।
