
ফাতেহ ডেস্ক
নোয়াখালীর সোনাগাজী উপজেলার মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতে আবার সেই সোনাগাজীতেই আবু সালেহ মীম নামে এক কলেজছাত্রকে হাত, পা ও মুখ বেঁধে কেরোসিন ঢেলে হত্যার চেষ্টা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সে ঢাকা পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের শেষ বর্ষের ছাত্র এবং সোনাগাজী পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম মিয়ার ছেলে।
আহত ছাত্র চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। বুধবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে কবি নজরুল প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকায় তার বাড়ির রাস্তায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, বুধবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে অজ্ঞাতনামা এক যুবক তাকে বাড়ি থেকে রাস্তায় ডেকে আনে। সেখানে তিনজন যুবক তাকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত করে হাত, পা ও মুখ বেঁধে কেরোসিন ঢেলে আগুন দেয়ার চেষ্টা করে।
এ সময় তার জেঠা মোশারফ হোসেন কমান্ডারের গৃহকর্মী রাশেদুল হাসান ঘটনাস্থলের দিকে এগিয়ে গেলে দুর্বৃত্তরা অচেতন অবস্থায় তাকে রেখে পালিয়ে যায়। রাশেদের চিৎকারে স্থানীয়রা এসে মীমকে উদ্ধার করে প্রথমে সোনাগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে ফেনী সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ ব্যাপারে মীমের বাবা মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম মিয়া সোনাগাজী থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। ওসি মো. কামাল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বিষয়টি নিয়ে পুলিশ অনুসন্ধান চালাচ্ছে।
