চাঁদাবাজির অভিযোগে টাঙ্গাইলের সেই এসআই প্রত্যাহার

ফাতেহ ডেস্ক

হয়রানি ও চাঁদাবাজির অভিযোগে টাঙ্গাইল মডেল থানার সেই এসআই জেসমিন আক্তারকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। রবিবার (২৮ এপ্রিল) সকালে তাকে টাঙ্গাইল সদর থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে নেয়া হয়।

একইসাথে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে এসআই জেসমিনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার।

টাঙ্গাইল সদর থানার এসআই জেসমিনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও হয়রানির অভিযোগে গত শনিবার রাতে থানা ঘেরাও করে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বেলতা গ্রামের কয়েকশ মানুষ। এ সময় এলাকাবাসী এসআই জেসমিনের বিচার চেয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে। পরে পুলিশ ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিলে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী রাত নয়টার দিকে থানা চত্বর ত্যাগ করে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, কিছুদিন আগে বেলতা গ্রামে একটি হত্যাকাণ্ড ঘটে। সেই হত্যার ঘটনা তদন্তের নামে টাঙ্গাইল মডেল থানার এসআই জেসমিনের সোর্স পরিচয়ে আবু বাক্কার (জেসমিন) নাম ধরে স্থানীয়দের কারও কারও কাছ থেকে মোটা অঙ্কের চাঁদা আদায় করে। চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে তাদের হত্যা মামলায় আসামি করারও হুমকি দেয়া হয়। এছাড়াও গ্রামের মানুষদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করে।

একইভাবে শনিবার বিকালের দিকে ওই সোর্স বেলতা গ্রামের হাজী আয়নাল হোসেনের কাছে অর্থ দাবি করে। তা না হলে ওই হত্যা মামলায় তাকে ফাঁসিয়ে দেয়া হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় গ্রামবাসী তাকে আটক করে। খবর পেয়ে এসআই জেসমিন তাকে উদ্ধার করতে গেলে গ্রামবাসী তাকেও ঘিরে ধরে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের উদ্ধার করে। সন্ধ্যার পর গ্রামবাসী একত্র হয়ে জেসমিনের বিচার চেয়ে থানা ঘেরাও করে।

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় জানান, জেসমিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়ার কারণে তাকে সদর থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আগের সংবাদদেশের ব্যাংকিং খাত নিয়ে সরকার খুশি নয় : পরিকল্পনামন্ত্রী
পরবর্তি সংবাদমুহাম্মদপুরে “জঙ্গি” আস্তানায় বিস্ফোরণ : নিহত ২