
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
মিসর ও কাতারের মধ্যস্থতায় ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ অস্ত্রবিরতিতে সম্মত হলেও ইসরাইলি বর্বর ইহুদিরা গাজা উপত্যকায় তাদের নৃশংস তাণ্ডব অব্যাহত রেখেছে।
অবৈধ ইসরায়েলের সন্ত্রাসীদের কারণে গাজা উপত্যকায় শুক্রবার থেকে শুরু হয় সামরিক উত্তেজনা। তারই পরিপ্রেক্ষিতে অস্ত্রবিরতি ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু বরাবরের মতো সন্ত্রাসী ইহুদিরা তা উপেক্ষা করেছে।
ফিলিস্তিনের এক কর্মকর্তার বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, মিসরের মধ্যস্থতায় সোমবার স্থানীয় সময় ভোর সাড়ে ৪টা থেকে শুরু হয়েছে এ অস্ত্রবিরতি।
দোহাভিত্তিক আল-জাজিরা টেলিভিশন জানিয়েছে, মিসর ও কাতারের মধ্যস্থতায় ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ অস্ত্রবিরতিতে সম্মত হলেও ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে নিশ্চিত কিছু জানায়নি।
গত দুই দিনের লড়াইয়ে ২৯ ফিলিস্তিনি নিহত হওয়ার কথা জানিয়েছে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ। এদিকে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও রোববার রাতজুড়ে বিমান হামলা অব্যাহত রেখেছে দখলদার ইসরাইল।
সোমবার সকালে ইসরাইলি যুদ্ধবিমান দক্ষিণ গাজার খান ইউনুসের একটি আবাসিক ভবন সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিয়েছে। জবাবে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসও ইসরাইলি শহর ও জনবসতিতে আবার রকেট নিক্ষেপ করেছে।
হামাস বলছে, ইসরাইল ফিলিস্তিনি জনগণের দাবি না মানলে চলমান যুদ্ধ থামবে না। অন্যদিকে হামাসের রকেট হামলায় চার ইসরাইলি নিহত হয়েছে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরাইলি হামলার কারণে ১৪৬ ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন এবং গাজা উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় ১৫টি আবাসিক ভবন সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গিয়েছে।
রোববার ফিলিস্তিনি অনলাইন অ্যক্টিভিস্টরা একটি ভিডিও ফুটেজ সম্প্রচার করেছে, যাতে ইসরাইলি হামলার মুহূর্তগুলো দেখা যাচ্ছিল। ভিডিওটি পরবর্তীতে ভাইরাল হয়ে গেছে।
