
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
পবিত্র নগরী মক্কাতুল মুকাররমা রমজানে লাখ লাখ উমরাহ পালনকারী মুসলিমের পদচারণার পাশাপাশি পরপর একাধারে তিনটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন চলায় বর্তমানে এ শহরটি পৃথিবীখ্যাত জ্ঞানী-গুণী ও বিশিষ্টজনদের মিলনকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।
মুসলিম ওয়ার্ল্ড লিগের তিন দিনব্যাপী সম্মেলন শেষ হচ্ছে বুধবার। মসজিদুল হারাম সংলগ্ন হিলটন কনভেনশন সেন্টারে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
বুধবার হবে উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (জিসিসি) এবং আরব লিগের জরুরি শীর্ষ সম্মেলন। ৩১ মে অনুষ্ঠিত হবে ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা-ওআইসি জরুরি শীর্ষ সম্মেলন। সব সম্মেলনই আয়োজন করা হচ্ছে মসজিদুল হারাম সংলগ্ন বিভিন্ন কনভেনশন সেন্টারে। সৌদি বাদশাহ ও খাদেমুল হারামাইন সালমান বিন আবদুল আজিজ এর মধ্যে মক্কা চলে এসেছেন।
মুসলিম ওয়ার্ল্ড লিগের সম্মেলন বাদশাহর পক্ষ থেকে তার উপদেষ্টা ও মক্কার গভর্নর প্রিন্স খালিদ আল ফয়সল উদ্বোধন করেছেন। এই সম্মেলনে আগত বিভিন্ন মুসলিম দেশের প্রতিনিধিদলের নেতাদের মক্কায় প্রাসাদে বাদশাহ সালমানের সাথে সাক্ষাৎ করার কর্মসূচি রয়েছে বলে জানা গেছে।
উপসাগরীয় সহযোগিতা কাউন্সিল এবং আরব লিগের শীর্ষ সম্মেলন আহ্বান করা হয়েছে সৌদি আরব ও আমিরাতের চারটি তেলবাহী জাহাজে অন্তর্ঘাতী হামলার ঘটনায় সৃষ্ট পরিস্থিতির কারণে। সৌদি আরবের তেল পাম্পিং স্থাপনায় একটি ড্রোন হামলার ঘটনাও ঘটেছে। এসব ঘটনার জন্য সৌদি আরবের পক্ষ থেকে ইরানের প্রক্সিগ্রুপগুলোকে দায়ী করা হয়। সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, উপসাগরীয় ও আরব শীর্ষ সম্মেলনে সৌদি আরব ও আমিরাতে সাম্প্রতিক অন্তর্ঘাতী হামলা নিয়ে আলোচনা হবে।
সৌদি প্রেস এজেন্সির সম্প্রচার করা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বক্তব্যে বলা হয়েছে, আরব আমিরাতের সমুদ্রসীমানায় জাহাজের ওপর এবং সৌদি আরবের দু’টি তেল পাম্পিং স্টেশনে ইরান সমর্থিত হাউছি মিলিশিয়াদের হামলার যে ঘটনা ঘটেছে তার আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা এবং বিশ্ব তেলের বাজারের স্থিতির ওপর অনেক বড় প্রভাব রয়েছে।
