
ফাতেহ ডেস্ক
ডিআইজি মিজানুর রহমানের অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধানে পরিচালক মঞ্জুর মোর্শেদকে নিয়োগ দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন। এর আগে এই বিষয়টি অনুসন্ধান করছিলেন বরখাস্ত পরিচালক এনামুল বাছির।
এদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান সাংবাদিকদের বলেন,দুর্বলতা আছে বলেই ডিআইজি মিজান ঘুষ দিয়েছেন ।
ডিআইজি মিজানের অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধান প্রতিবেদন জমা হয়েছে ২৬ মে। প্রায় একবছর অনুসন্ধানের পর এই প্রতিবেদন দেন বরখাস্ত পরিচালক এনামুল বাছির। প্রতিবেদনে প্রায় ২ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ পাওয়া গেছে ডিআইজি মিজানের।
নয় জুন ডিআইজি মিজান দুদক পরিচালক এনামুল বাছিরের বিরুদ্ধে ফোনালাপসহ ঘুষের অভিযোগ আনলে, বিভাগীয় অনুসন্ধানের ভিত্তিতে বাছিরকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
কমিশন বৈঠকের পর দুপুরে ডিআইজি মিজান অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধানে পরিচালক মঞ্জুর মোর্শেদকে নতুন করে নিয়োগ দেয়া হয়। এছাড়া পরিচালক বাছির ঘুষ নিয়েছেন কিনা খতিয়ে দেখতে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক।
এদিকে রাজধানীর বকশিবাজারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন,কেনো ডিআইজি মিজান ঘুষ দিয়েছেন তা আগে জানতে হবে।
ঘুষ দেওয়ার অপরাধ প্রমানিত গেলে ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
