
ফাতেহ ডেস্ক
বিএনপিএকাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাঁচ মাস পর শনিবার (১৫ জুন) বিকালে বসছে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক। এদিন রাজধানীর গুলশানের চেয়ারপারসন কার্যালয়ে বিকাল সাড়ে পাঁচটায় বৈঠক শুরু হবে। বৈঠকে লন্ডন থেকে স্কাইপে যুক্ত থাকবেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ বৈঠকে অন্তত হাফ ডজন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে বিএনপি। চলমান ছাত্রদল সংকট, বৃহত্তর রাজনৈতিক ঐক্য, সংসদে দলীয় এমপিদের করণীয়-কৌশল এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কৌশল সম্পর্কিত বিষয়গুলো নিয়ে বৈঠকে আলোচনা করা হবে। দলটির দায়িত্বশীল সূত্র থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
বৈঠকের বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বৃহস্পতিবার রাত পৌনে একটার দিকে বলেছিলেন, ‘শনিবার বিকালে স্থায়ী কমিটির সদস্যরা বসবেন। তবে কী আলাপ হবে, তা আলোচনার আগে বোঝা যাবে না। আগে বৈঠক করি, দেখা যাক, কী নিয়ে আলোচনা হয়।’
বিএনপির দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলছে, একাদশ জাতীয় নির্বাচনের পরদিন ৩১ ডিসেম্বর স্থায়ী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকে তারেক রহমান যুক্ত থাকেন। এরপর নানা সময়ে স্থায়ী কমিটির সদস্যরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা সারলেও আনুষ্ঠানিক রূপ পায়নি।
সূত্র আরও জানায়, শনিবার বিকালের বৈঠকটি কয়েকটি কারণে গুরুত্বপূর্ণ। এ বৈঠক থেকে বৃহত্তর রাজনৈতিক ঐক্যের বিষয়ে নীতি ঠিক করবে বিএনপি। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে বিবাদমান সমস্যা সমাধানে করণীয়, ২০ দলীয় জোটের বিষয়ে নতুন নীতিগ্রহণ, জামায়াত নিয়ে অমীমাংসিত বিষয়গুলো আলোচনায় উঠে আসবে।
এছাড়া ছাত্রদলের বর্তমান সংকট নিয়ে আলোচনা শেষে একটি সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়ে কোনও কোনও সদস্য উৎসাহ দিতে পারেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে।
দলের ভ্যানগার্ড হিসেবে পরিচিত ছাত্রদের এই সংগঠন নিয়ে গত কয়েক মাস ধরে টানাপোড়েন চলছে। সর্বশেষ গত দু’দিন আগে পল্টনে রীতিমতো তুলকালাম ঘটিয়েছে। সংগঠনটির বর্তমান আন্দোলনত নেতাদের অন্যতম, বিলুপ্ত কমিটির সহ-সভাপতি এজমল হোসেন পাইলট বলেন, ‘আশা করছি শীর্ষ নেতৃত্ব আমাদের সঠিক পথ দেখাবে।’
বৈঠকে বিএনপির সাংগঠনিক বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হতে পারে, এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন বিএনপির এক নেতা।
যদিও এসব বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘বৈঠক হওয়ার আগে তো মন্তব্য করা যাবে না, কী নিয়ে মিটিং হবে।’
