সানোবিয়্যাহ সম্পন্ন করলেই মিশরের জামে আজহারে ভর্তির সুযোগ পাবেন ঢাকা দারুল আরকামের ছাত্ররা

ফাতেহ ডেস্ক

রাজধানীর সদ্য প্রতিষ্ঠিত অ্যারাবিক মিডিয়াম মাদরাসা দারুল আরকাম আল-ইসলামিয়ায় তিনবছর মেয়াদী সানোবিয়্যাহ জামাত সম্পন্ন করতে পারলেই মুয়াদালার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা মিশরের জামে আজহার-সহ বহির্বিশ্বের বিভিন্ন ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবেন।

গত ১৫ই জুন রাজধানীর উত্তরা ১২ নম্বর সেক্টরে আয়োজিত ‘মাদরাসা শিক্ষার্থীদের বিদেশে উচ্চ শিক্ষা’ শীর্ষক সেমিনার এবং দারুল আরকাম আল ইসলামিয়া, ঢাকার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে এমনটাই জানিয়েছেন দারুল আরকামের প্রতিষ্ঠাতা শায়খ সানাউল্লাহ আযহারী।

শায়খ সানাউল্লাহ আযহারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়ার পরিচালক অধ্যাপক মাওলানা যুবায়ের আহমদ চৌধুরী, বেফাকের সহসভাপতি ও দারুল আরকাম আল ইসলামির (বি বাড়িয়া) পরিচালক মাওলানা সাজিদুর রহমান, মুফতি কেফায়াতুল্লাহ আযহারী, মিশর দূতাবাসের চার্জ অফ দ্য এফেয়ার্স ড. শিহাব মক্কী, আল ফুজাইরার সাবেক পরিচালক ড. কামাল আলহাজ সুদানী, আন্তর্জাতিক ইসলামি প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মাওলানা শাহেদ হারুন, ড. আব্দুল মুকিত আযহারী, লেখক ও গবেষক মুসা আল হাফিজসহ দেশে বরেণ্য ইসলামিক স্কলারগণ।

মাওলানা সাজিদুর রহমান তাঁর বক্তব্যে বলেন, আরবি ভাষা শিক্ষায় ও বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য কওমি ছাত্রদের প্রস্তুত করার ক্ষেত্রে ঢাকাস্থ দারুল আরকাম আল-ইসলামিয়া হবে রোল মডেল।

প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক সম্পর্কে তিনি বলেন, মাদরাসাশিক্ষার উন্নয়নে মাওলানা সানাউল্লাহর অবদান অনস্বীকার্য। তিনি মিশরে মাহাদুত তিবয়ান করেছেন। যেখানে সারা বিশ্বের ছাত্ররা আরবি ভাষা শিখছে ও ইসলামি শরিয়ার জ্ঞান অর্জন করছে। এরই ধারাবাহিকতায় উত্তরায় এই দারুল আরকাম-এর সূচনা। আমি আশা করি, এই দারুল আরকাম আমাদের দারুল আরকামের উত্তম নমুনা হবে এবং বিশ্বব্যাপী এর সুনাম ছড়িয়ে পড়বে।

মিশর দূতাবাসের চার্জ অফ দ্য এফেয়ার্স ড. শিহাব মক্কি তাঁর বক্তব্যে দারুল আরকামের পরিকল্পনা ও শিক্ষা পদ্ধতির ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য মিশরে স্কলারশিপকে আরো ব্যাপক ও সহজলভ্য করার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, দারুল আরকাম আল ইসলামিয়া-ই মিশরে উচ্চ শিক্ষার দ্বার হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তাই এখানে পড়াশোনার মাধ্যমে কওমিশিক্ষার্থীরা তাদের শক্ত ভীত গড়ে তুলতে পারবে।

আগের সংবাদবিপর্যয়ের কারণে আর্জেন্টিনা-উরুগুয়ের ৪ কোটি ৮০ লাখ বাসিন্দা বিদ্যুৎহীন
পরবর্তি সংবাদ‘হকপন্থী রাজনৈতিক দলগুলোর মূল লক্ষ্য রাষ্ট্রীয়ভাবে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করা’