
ফাতেহ ডেস্ক
স্বাস্থ্য অধিদফতরের ডেঙ্গু বিষয়ক প্রোগ্রাম ম্যানেজার অধ্যাপক ডা. এমএম আক্তারুজ্জামান বলেছেন, ‘ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশা যে সিটিতে বা যে এলাকায় একবার ঢোকে সে এলাকায় আর নিস্তার নেই। কেননা, এডিস মশার ডিম শুকনা পরিবেশেও ৯ মাস পর্যন্ত সক্রিয় থাকে, নষ্ট হয় না। আর যখনই স্বচ্ছ পানির সংস্পর্শে আসে, তখন তা লার্ভা হয়। পরিপূর্ণ মশায় রূপ নেয়।’
সোমবার নির্বাচন ভবন মিলনায়তনে ডেঙ্গু নিয়ে সচেতনতা সৃষ্টিতে নির্বাচন কমিশন আয়োজিত এক সভায় বিশেষজ্ঞ আলোচক হিসেবে এসব কথা বলেন তিনি। ইসি সচিব মো. আলমগীরের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইস) কে এম নূরুল হুদা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, কবিতা খানম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) সাহাদাত হোসেন চৌধুরী।
আক্তারুজ্জামান আরও বলেন, , ‘২০১৭ সালে আমরা যে পরিমাণ লার্ভা পেয়েছিলাম, এবার তার তুলনায় শতভাগের বেশি পাওয়া গেছে। মূলত নির্মাণাধীন ভবন, জমে থাকা পানি, ডাবের খোসা ইত্যাদিতে আমরা লার্ভা পেয়েছি। ব্যক্তি সচেতনতা ছাড়া ডেঙ্গু থেকে নিস্তার পাওয়ার কোনো উপায় নেই।
পানি জমে থাকলে সেখানে এ মশা জন্ম নেবেই। সেই পানি শুকিয়ে গেলেও এডিসের ডিম ৯ মাস পর্যন্ত থাকবে। সেটা ঘরের মেঝেতেও যদি থাকে, পানি পাওয়ার পর সেখান থেকে লার্ভা হবে। পরিপূর্ণ মশা জন্ম নেবে। তাই স্যাঁতস্যাঁতে ঘরের মেঝেতে ব্লিচিং পাউডার ছেঁটাতে হবে। এছাড়া মশারি ও এরোসল ব্যবহার করা যেতে পারে।’
জ্বর হলেই না ঘাবড়ানোর পরামর্শ দিয়ে অধ্যাপক আক্তারুজ্জামান বলেন, ‘৬ ঘণ্টার মধ্যে রক্ত পরীক্ষা করতে হবে। ডেঙ্গু জ্বর প্রথমবার হলে তেমন সমস্যা নেই। দ্বিতীয়, তৃতীয়বার হলে সমস্যা ভয়াবহ হয়। তখন শরীরের বিভিন্ন অর্গান ফেইলর হয়। তাই দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।’
