ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে আরও ৬ হাজার অবৈধ বসতি স্থাপন করছে ইসরায়েল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইহুদিদের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরায়েল ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে নতুন করে আরও ৬ হাজার ইহুদি বসতি স্থাপনের ঘোষণা দিয়েছে। বুধবার ইসরাইলি কয়েকটি গণমাধ্যম এ বিষয়ে খবর প্রকাশ করে। খবর আনাদলু ও ডেইলি সাবাহর।

ইসরাইলি সংবাদ মাধ্যম নিউজ ১৩ জানায়, মঙ্গলবার রাতে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে মন্ত্রিসভার সব সদস্য প্রস্তাবিত পরিকল্পনার পক্ষে ভোট দিয়েছেন।

এরিয়া সি নামের এ গৃহায়ণ প্রকল্পের আওতায় ফিলিস্তিনিদের জন্যও ৭০০ বাড়ি নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছে ইহুদিবাদী রাষ্ট্রটি। বর্তমানে পশ্চিম তীরের ওই এলাকাটি ইসরাইল অবৈধভাবে দখল করে রেখেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা ও উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার বুধবার ইসরাইল সফর করবেন। ট্রাম্প জামাতার এ সফরকে কেন্দ্র করেই নতুন এই গৃহায়ণ প্রকল্পের ঘোষণা দিয়েছে দখলদার ইসরাইল।

জ্যারেড কুশনারের এ সফরে ফিলিস্তিন-ইসরাইলে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে হোয়াইট হাউসের কথিত ‌শতাব্দীর সেরা চুক্তির বিষয়ে আলোচনা হবে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো।

১৯৯৫ সালের ইসরাইল ও ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের (পিএ) মধ্যে চুক্তির আওতায় পূর্ব জেরুজালেমসহ পশ্চিম তীরকে অঞ্চল এ, বি এবং সিতে বিভক্ত করা হয়েছিল।

পশ্চিম তীরের প্রায় ৬০ শতাংশ এলাকা নিয়ে এরিয়া সি গঠিত । ওই এলাকার নিরাপত্তা এবং প্রশাসনিক ক্ষমতা ইসরাইল নিয়ন্ত্রণ করে।

এরিয়া সি এলাকায় বর্তমানে প্রায় তিন লাখ ফিলিস্তিনি নাগরিক বসবাস করেন। যাদের অধিকাংশ বেদুইন অবস্থায় মূলত তাঁবু, কাফেলা এবং গুহায় বাস করে।

আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী পশ্চিম তীর এবং পূর্ব জেরুজালেমের উভয় অংশকেই ‌‌‌অধিকৃত অঞ্চল হিসাবে বিবেচনা করা হয় এবং সেখানে ইহুদি বসতি-নির্মাণ কার্যক্রমকে অবৈধ বলে মনে করা হয়।

আগের সংবাদগৃহকর্মীদের মর্যাদা ও অধিকার : ইসলাম কী বলে?
পরবর্তি সংবাদডা. জাকির নায়েককে কোনো দেশ নিতে চায় না : মাহাথির মোহাম্মদ