
ফাতেহ ডেস্ক
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা একটি অ্যাপ তৈরি করছেন, যা মেশিন লার্নিং পদ্ধতি অ্যাকুয়াস্টিক শব্দ ব্যবহার করে বিভিন্ন প্রজাতির মশা শনাক্ত করতে পারে।
এ অ্যাপের মাধ্যমে নিখুঁতভাবে অ্যানোফিলিস প্রজাতির মশা শনাক্ত করতে পারে। এ প্রজাতির মশা ম্যালেরিয়া ছড়াতে পারে।
গবেষকরা দাবি করেন, অ্যাপের মাধ্যমে অ্যানোফিলিস মশা শনাক্তের সফলতার হার ৭২ শতাংশ। এ প্রকল্প আরো বিস্তৃত করতে গবেষক দল আরো বেশি মশার আরো উচ্চমান সম্পন্ন শব্দ রেকর্ড করছেন, যাতে ৩ হাজার ৬০০ প্রজাতির মশা শনাক্ত করা সম্ভব। এ অ্যাপের মাধ্যমে মশা বাহিত রোগ দূর করা সম্ভব না হলেও সম্ভাব্য রোগ বাহিত মশা সম্পর্কে ধারণা দেবে।
উল্লেখ্য, গবেষকদের মতে, বর্তমানে পৃথিবীতে প্রায় সাড়ে তিন হাজার প্রজাতিরও বেশি মশা রয়েছে। বাংলাদেশসহ উপমহাদেশে তিন চারটি প্রজাতির মশা খুবই ভয়ংকর। এই প্রজাতিগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো অ্যানোফিলিস মশা। ১৮৯৮ সালে স্যার রোনাল্ড রস কলকাতায় বসে অনেক গবেষণার পর আবিষ্কার করেন যে, ম্যালেরিয়া রোগের জন্য দায়ী এই অ্যানোফিলিস মশা।
১৯০০ সালে ওয়াল্টার রিড আবিষ্কার করেন, এডিস মশা পীতজ্বর ও ডেঙ্গুর জীবাণু ছড়ায়।
