এনআরসি : আসামে পঞ্চাশ শতাংশেরও বেশি হিন্দুর নথিপত্র জাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

এনআরসি বা জাতীয় নাগরিকপঞ্জিতে নাম অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে মুসলিমদের চাইতে হিন্দুরা বেশি জাল নথি ব্যবহার করছেন। রবিবার এক সংবাদ সংস্থা এনআরসি সম্পর্কিত সূত্রে উদ্ধৃতি দিয়ে এ খবর প্রকাশ করেছে। খবর যুগশঙ্খ।

সংবাদ সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উল্লেখযোগ্য বিষয়, এক বিরাট সংখ্যক সন্দেহভাজন হিন্দু আবেদনকারী জালিয়াতি করেছেন। প্রকৃতপক্ষে এসব জাল নথিপত্রের পঞ্চাশ শতাংশেরও বেশি হিন্দুদের। এটা খুবই আশ্চর্যের বিষয় আমাদের ধারণা ছিল, কেবল সন্দেহভাজন অবৈধ মুসলিম অনুপ্রবেশকরীরাই এনআরসি তে নাম অন্তর্ভুক্তের জন্য জালিয়াতি করেছে। কিন্তু অনেক বেশি সন্দেহভাজন হিন্দু চিহ্নিত হওয়ার কারণে এটা ধারণা করা হচ্ছে, এ ধরনের অনুপ্রবেশকারীর সংখ্যা আসামে প্রচুর রয়েছে।

আসামের বিজেপি সরকার দাবি করেছিল, যে পরিসংখ্যান সামনে আসছে তাতে স্পষ্ট, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী জেলাগুলি থেকে ভূমিপুত্র অধ্যুষিত জেলাগুলি থেকে এনআরসি থেকে বাদ পড়া লোকের সংখ্যা বেশি। সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে সম্ভবত অবৈধ মুসলিম অনুপ্রবেশকারীর সংখ্যা বেশি। এ কারণে এনআরসি খসড়া মােটেও শুদ্ধ হয়নি।

রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) বৌদ্ধিক প্রচার প্রমুখ শঙ্কর দাসের উদ্ধৃতি দিয়ে ওই সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে , সংশােধিত এনআরসি ভুল হবে। একে চ্যালেঞ্জ করা হবে। কেউ শুদ্ধ তথ্য দিচ্ছে না। এনআরসির রাজ্য সমন্বয়ক প্রতীক হাজেলার তথ্যের ভিত্যিতে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিচ্ছে। সুতরাং এখন অবধি কেনও ফাঁস তথ্যে আমাদের বিশ্বাস নেই। এটা হিন্দু কিংবা মুসলমানের বিষয়ে হোক। আমরা জানি, এই এনআরসি শুদ্ধ হবে না এবং একে চ্যালেঞ্জ করা হবে।

আগের সংবাদকাশ্মীর নিয়ে দেশবাসীকে বোঝাতে পথে নামছে বিজেপি
পরবর্তি সংবাদকাজী নজরুল ইসলাম : একুশ শতকে কেন অনিবার্য?