
আরিফ বিল্লাহ
মিশরের আসয়ুত অঞ্চলের মুশা নামক গ্রামে ৯ অক্টোবর ১৯০৬ খ্রিষ্টাব্দে মহান শহীদ চিন্তাবিদ সাইয়েদ কুতুবের জন্ম। গ্রামেই কেটেছে তাঁর বাল্যকাল। কুরআনও হিফজ করেছেন এখানে। ১৯১৯ সালের ব্রিটিশবিরোধী গণঅভ্যুত্থানের ঠিক একবছর পর তিনি কায়রো আসেন। তখন তাঁর বয়স ছিল চৌদ্দ বছর।
কায়রোতে এসে তিনি শিক্ষক সমিতি পরিচালিত একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হন। এখানে পড়াশোনা শেষে ১৯২৮ সালে উচ্চশিক্ষার জন্য ভর্তি হন কায়রোর দারুল উলুম ইউনিভার্সিটিতে। চারবছর পড়াশোনার পর দারুল উলুম থেকে তিনি সর্বোচ্চ ডিগ্রি অর্জন করেন। শিক্ষাজীবন শেষ হবার এক বছর পর মিশরের শিক্ষামন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হিসেবে নিযুক্তি পান।
বলে রাখছি, সাইয়েদ কুতুব যে বছর জন্মগ্রহণ করেন মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রতিষ্ঠাতা শাইখ হাসানুল বান্নার জন্মও সে বছরে। এই দুই মনীষীর উভয়ই একই ভার্সিটিতে পড়াশোনা করেছেন। তবে সাইয়েদ কুতুব কোনো কারণে শায়েখ হাসানুল বান্নাহ থেকে একবছর পিছিয়ে ছিলেন। তাই বলে সাইয়েদ কুতুব ভার্সিটি থাকাকালীন সময়েই যে শায়েখ হাসানুল বান্নার সাথে পরিচিত হয়েছেন এবং তাঁর চিন্তাধারায় প্রভাবিত হয়েছেন, এমন কিন্তু না। তাঁরা উভয়ে ছিলেন নিজ নিজ জগত নিয়ে। অর্থাৎ তাঁদের চিন্তাচেতনা ছিল একদম আলাদা। সাইয়েদ কুতুব ছিলেন সাহিত্যিক আব্বাস মাহমুদ আক্কাদের লেখায় অত্যন্ত প্রভাবিত। সাথে বেশ কিছুদিন জড়িত ছিলেন সাআদ জগলুলের হাতে প্রতিষ্ঠিত লিবারেল রাজনৈতিক দল হিজবুল ওয়াফদ-এর সঙ্গে।
অল্প বয়সেই সাইয়্যেদ কুতুবের লেখালেখির প্রতিভা বিকশিত হয়েছিল। তাঁর প্রশংসা করে মিশরের সাবেক রেডিও-প্রধান ফারুক শুশাহ বলেন, ‘সাইয়েদ কুতুব ছিলেন একজন রোমান্টিক কবি। সাহিত্যিক আব্বাস মাহমুদ আক্কাদের হাতেগড়া প্রথম ছাত্র তিনি। নোবেলজয়ী মিশরী লেখক নাজিব মাহফুজের লেখার উপর বিশ্বে সর্বপ্রথম সমালোচনাপত্র প্রকাশ করেছেন যুবক সাইয়েদ কুতুব। এর অর্থ কী? তিনি ছিলেন প্রতিভাবান অন্তর্দৃষ্টিসম্পন্ন একজন সমালোচক।’ ফারুক শুশার এই কথার মাধ্যমে বুঝে আসে, মুসলিম ব্রাদারহুডের থেকে তাঁর চিন্তাচেতনার বেশ দূরত্ব ছিল। তখন অবধি তাঁর সব রচনাই ছিল শিল্পসাহিত্য নিয়ে। তাঁর দেশপ্রেম ও ভালোবাসার ব্যাপারে কারও কোনো বিরোধমত ছিল না।
১৯৩৯ শালে তিনি التصوير الفني في القرآن শিরোনামে একটি প্রবন্ধ প্রকাশ করেন সাইয়্যেদ কুতুব। এটাকে ধরা যায় তাঁর সর্বপ্রথম ইসলামী সাহিত্যকর্ম। তবে এই প্রবন্ধ এবং একই শিরোনামে প্রকাশিত তাঁর পরবর্তী বইয়ের মাঝে বেশ তফাৎ রয়েছে। প্রবন্ধ এবং বই–দুটো আলাদা আলাদা কাজ।
১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দে শিক্ষামন্ত্রণালয়ের বিশেষ এক মিশনের সদস্য হয়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান। মিশনের উদ্দেশ্য ছিল, সেখানকার উন্নত শিক্ষার হালচাল জানা। যাতে করে আমেরিকান শিক্ষাপদ্ধতি মিশরেও চালু করা যায়। সাইয়েদ কুতুব সেখানে চার বছর কাটান। আমেরিকা অবস্থানকালেই তিনি ব্রাদারহুডের চিন্তাধারার সঙ্গে প্রথমবারের মতো ঘনিষ্ঠ হন এবং এর দ্বারা প্রভাবিত হন।
১২/২/১৯৪৯ সালে শায়েখ হাসানুল বান্নাকে শহীদ করা হয়। তাঁর শাহাদাতের খবর সবখানে ছড়িয়ে পড়ে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমে তাঁর শাহাদাতের খবরকে বিশাল জয় হিসেবে উদযাপন করা হয়। এ ঘটনায় সাইয়েদ কুতুব যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে বসে অপমানবোধ করেন। তবে প্রথমদিকে তাঁর এই অনুভূতি ধর্মীয় আবেগ থেকে ছিল না, ছিল নিরেট দেশাত্মবোধ ও আরববাদী চেতনা থেকে।
তখন থেকে তিনি ভাবতে লাগেন, কে এই হাসানুল বান্না, কী তাঁর ইতিহাস? মুসলিম ব্রাদারহুডের ইতিহাস ও তাদের নিয়ে গবেষণা শুরু করেন সাইয়্যেদ কুতুব। যুক্তরাষ্ট্রে বসেই লিখে ফেলেন ‘العدالة الاجتماعية في الإسلام’ নামের বইটি। ধরা যায় নিরেট ইসলামকে গবেষণা করে লেখা এটাই তাঁর প্রথম বই। এই বইয়েই তাঁর ইসলামী ব্যক্তিত্বের প্রথম প্রকাশ ঘটে। তাঁর লক্ষ্য-উদ্দেশ্য একদম স্পষ্ট হয়ে যায়। বইয়ের শব্দে শব্দে পাঠককে তিনি তা বুঝিয়ে দিয়েছেন। তবে এই বইয়ের সব চিন্তা গ্রহণযোগ্য, এটাও বলা যায় না।
যাইহোক, ২৩/৮/১৯৫২ সালে তিনি আমেরিকা থেকে দেশে ফেরেন। সময়টা ছিল সেনা অভ্যুত্থানের ঠিক একমাস পর। এর দুমাস পরেই শিক্ষামন্ত্রণালয় থেকে আনুষাঙ্গিক কারণে তিনি অব্যাহতি নেন।
পাঠকের জানা থাকা দরকার যে, সাইয়েদ কুতুব ছিলেন সেনাবাহিনীর একদম ঘনিষ্ঠ লোক। বিশেষ করে অভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারী সেনা অফিসারদের। তিনি তাদের এতটাই কাছের ছিলেন যে, অভ্যূত্থান-পরবর্তী প্রেসিডেন্ট জামাল আব্দুন নাসের তাঁকে বিপ্লবী নেতৃত্বের উপদেষ্টা নির্বাচন করেন। শুধু তাই না, তাঁর লিখিত العدالة الاجتماعية في الإسلام নামক বইটি বিপ্লবী সেনা অফিসারদের মাঝে নিজ দায়িত্বে প্রচার করেছিলেন তিনি।
জামাল আব্দুন নাসের جبهة التحرير নামে একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। যেখানে তিনি রাষ্ট্রের বিশেষ ব্যক্তিবর্গ ও নেতৃবৃন্দকে সমবেত করার চেষ্টা করেছেন। যাদের দিয়ে তিনি পরবর্তীতে মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রতিরোধ করবেন। কারণ, জামাল আব্দুন নাসেরের সামনে ব্রাদারহুড ছিল বিশাল পাহাড় স্বরূপ। সবচেয়ে বড় বিপদ ছিলো, মুসলিম ব্রাদারহুডের অপ্রতিরোধ্য অগ্রগতি। এসব বিষয়ের প্রতি খেয়াল করেই তাঁর এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠা। جبهة التحرير-এর পক্ষ থেকে সাহিত্যিক ও গবেষক সাইয়েদ কুতুবকে সংবর্ধনা দেওয়ার জন্য ১৯৫৩ সালে একটি কনফারেন্স ডাকা হয়। উক্ত কনফারেন্সে সাইয়েদ কুতুব তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট বলেছেন যে, তিনি তাঁর যাত্রাপথে সকল বাধা সইতে রাজি আছেন। সাইয়্যেদ কুতুবের এ কথার প্রেক্ষিতে তখন আব্দুন নাসের প্রতিজ্ঞা করে বলেন, যেকোনো মূল্যে হোক তিনি সাইয়েদ কুতুবকে রক্ষা করবেন। শেষে সেই আব্দুন নাসেরই তাঁকে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলিয়েছিলেন।
উক্ত কনফারেন্সে সাইয়েদ কুতুব ঠিক ধরে ফেলেন জাবহাতুুত তাহরীরের লক্ষ্য কী? জামাল আব্দুন নাসের কী করতে যাচ্ছেন তাও তাঁর কাছে স্পষ্ট হয়ে যায়। সাইয়েদ কুতুব তখনই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন। দেরি না করে মুসলিম ব্রাদারহুডের পৃষ্ঠপোষক হাসান হুদাইবী’র কাছে চলে যান। মতামতের পরই হাসান হুদাইবী তাঁকে প্রধান আহ্বায়ক নির্বাচন করেন। এসবের কোনো কিছুই আব্দুন নাসের জানেন না। সেনাপ্রধানদের অগোচরেই সব হয়েছে।
মাসকয়েক বাদে আব্দুন নাসের তাঁর অফিসে جماعة الإخوان المسلمين নামে একটি সংবাদপত্রের লাইসেন্সের আবেদনপত্র পান। পত্রিকাটির সম্পাদক সাহিত্যিক ও গবেষক সাইয়েদ কুতুব। আব্দুন নাসের আকাশ থেকে পড়লেন যেন। কীভাবে সম্ভব! সাথে সাথে লোক পাঠালেন সাইয়েদ কুতুবের তলবে। তারা হৈচৈ করে প্রশ্ন করল, আপনি কি আসলেই মুসলিম ব্রাদারহুড করেন? তিনি সরাসরি হ্যাঁ বলে দিলেন। এসময় আব্দুন নাসের বিরাট ধাক্কা খেলেন। তাদের সম্পর্ক দুদিকে ছিটকে পড়ল।
যাইহোক, ১৯৫৪-এর ২৬ অক্টোবর আলেকজান্দ্রিয়ার মানশিয়া নামক এলাকায় বক্তব্য প্রদানকালে জামাল আব্দুন নাসেরের উপর আক্রমণের চেষ্টা করা হয়। এই ব্যর্থ আক্রমণের দায়ভার চাপানো হয় ব্রাদারহুডের উপর। একই সাথে রাষ্ট্রীয় আদেশ মতে ব্রাদারহুডের جماعة الإخوان المسلمين নামক পত্রিকাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। অন্যদিকে ব্রাদারহুডের নেতাদের আটক শুরু হয়। আটকের কাতারে সাইয়েদ কুতুবও ছিলেন। আদালত তাঁকে ১৫ বছর কারাদণ্ডের হুকুম দেয়।
দশবছর চলে যায় বন্দীখানায়। তারপর ইরাকের সাবেক প্রেসিডেন্ট আব্দুস সালাম আরেফ-এর মধ্যস্থতায় ব্রাদারহুডের অনেক নেতাকে আদালত মুক্তি দান করে। মুক্তিপ্রাপ্তদের মাঝে সাইয়েদ কুতুবও ছিলেন। জেল থেকে মুক্তি পেলেও চিকিৎসার অভাবে তাঁর শরীর একদম ভেঙে পড়েছিল।
শরীরের এই দুরবস্থা সত্ত্বেও তিনি চুপসে থাকেননি। معالم في الطريق নামের আলোড়ন-জাগানো বইটি লেখেন তখন। বইটির শক্ত ভাষা সেনাবাহিনীর উপর পরামাণু হয়ে অবতীর্ণ হলো। কেনই-বা হবে না, ক্ষুব্ধ সাহিত্যক ও অন্তর্দৃষ্টিসম্পন্ন একজন বন্দী দশবছর স্বচক্ষে বন্দীশালার পাশবিকতা দেখেছেন। কে পারবে শব্দ গেঁথে অনুভূতির সুন্দর-অসুন্দরকে তাঁর মতো তুলে ধরতে?
যাইহোক, সাইয়েদ কুতুব মাত্র একবছর ছিলেন জেলের বাইরে। أعضاء التنظيم السر অর্থাৎ গোপন সংস্থার সদস্য বলে আবার ধর-পাকড় শুরু হয়। এখনকার জঙ্গি অপবাদের মতো অনেকটা। প্রায় বিশ হাজারের মতো আটক করা হয়। পঁচাত্তর জনকে সরকার উৎখাতের অপবাদে ফাঁসানো হয়। যাদের বেশির ভাগই ছিলেন ভার্সিটির প্রফেসর, ইঞ্জিনিয়ার ও ডাক্তার। তাদের মাঝে ছিলেন সাহিত্যিক ও গবেষক সাইয়েদ কুতুবও।
আদালতে সরকারের ঘনিষ্ঠ এক কর্মকর্তা সাইয়েদ কুতুবকে বলেন, আপনি তো ব্রাদারহুডের সাথে নতুন যুক্ত হয়েছেন, বিচারপতির সামনে দুটি তুষ্টকথা উচ্চারণ করুন, আপনাকে মুক্তি দিয়ে দিবেন তিনি।
তাঁর কথার উত্তরে সাইয়েদ কুতুব বলেন, আকিদার ক্ষেত্রে গোপনকরণ শোভা পায় না। আর একজন নেতার জন্য তুচ্ছতা গ্রহণও অসম্মানজনক।
শেষমেশ ফাঁসির রায় শোনানো হয়। মূলত আব্দুন নাসের চেয়েছিলেন সাইয়েদ কুতুবকে আগে অপদস্ত করবেন, পরে মুক্তি দেবেন অথবা তাঁর ফাঁসির আদেশ রহিত করে সাজা কমিয়ে আনবেন। কিন্তু কে চায় কার রহমত? সাইয়েদ কুতুব হলেন আত্মমর্যাদার উপর সুদৃঢ় একজন ব্যক্তি। শুরু থেকেই সবাই এ ব্যাপারে জ্ঞাত।
আহমাদ ফাররাগ নামের এক অফিসার এক সাক্ষাতে তাঁকে বলেন, যেন তিনি ছোট করে একটি ওজরনামার মতো কিছু লিখে দেন, অফিসার নিজ দায়িত্বে তাঁর মুক্তির ব্যবস্থা করবেন। অফিসারের এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে সাইয়্যেদ কুতুব তখন বলেছিলেন, যেই শাহাদাত আঙুল আল্লাহর একত্ববাদ স্বীকার করে আসমানের দিকে উত্থিত হয়, স্বেচ্ছাচারীর সমর্থনে ওজরনামা লিখতে সে আঙুল কোনোভাবেই ব্যবহৃত হবে না।
সাইয়েদ কুতুবকে ফাঁসির কাষ্ঠে ওঠানোর আগে ওখানে ফুয়াদ আল্লাম নামে এক অফিসার ছিলেন। ফুয়াদ আল্লামও একই প্রস্তাব রেখেছিলেন সাইয়েদ কুতুবের কাছে। বলেছিলেন, জনাব, আসলেই আপনাকে মুক্তি দানের অভিপ্রায় ছিল, আপনি মুখে একটু ক্ষমাপ্রার্থনা করবেন মাত্র। তখনও কুতুবের প্রত্যাখানমূলক সুদৃঢ় জবাব ছিল। বলেছিলেন, আল্লাহর রাস্তায় কাজ করে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলছি, এ তো সৌভাগ্য, অন্যায়ের কাছে মাথা নত করে কেন আমার এ সৌভাগ্যকে আমি বিনষ্ট করব?
অফিসার আবার বলেন, জনাব, শুধু মিনতি করবেন একটু, আমি এখনই সরকারকে জানিয়ে দেবো। সাইয়েদ কুতুব উত্তরে বলেন, কেন মিনতি করব? যদি আমি সৎভাবে দোষী সাব্যস্ত হয়ে থাকি, তাহলে আমি এই সিদ্ধান্তেই সন্তুষ্ট। আর যদি অন্যায়ভাবে দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে থাকি, তাহলে বাতিলের কাছে মিনতি করার নীচুতা থেকে আমি অনেক ঊর্ধ্বে!
২৯ আগস্ট ১৯৬৬ সালে ফজরের সময় সাইয়েদ কুতুবকে ফাঁসি দেওয়া হয়। রহিমাল্লাহু। ফাঁসির আগে তিনি বলে গেছেন, ‘রক্তে সিঞ্চিত না হলে কোনো চেতনার স্থায়িত্ব আসে না।’
সামরিক শাসন তাঁকে ফাঁসি দিয়ে তাঁর দেহ বিদায় করেছে ঠিকই, কিন্তু হাজার বছরের জন্য তাঁর চেতনায় প্রাণ সঞ্চার করেছে। তাঁকে ছেড়ে দিলে আজ হয়তো বিশ শতকের আর দশজন লেখকের মতো তাঁকেও মানুষ ভুলে যেত। কিন্তু জীবনের বিনিময়ে তিনি পৃথিবীর সচেতন সত্যপন্থী প্রতিটা মানুষের হৃদয়ে চেতনার মিনার হিসেবে বেঁচে আছেন পরম ভক্তি ও শ্রদ্ধার সাথে। তাঁর নাম উচ্চারণের সাথে সাথে মানুষের দিল ফুঁড়ে আরেকটি বাক্য বেরিয়ে আসে–রাহিমাহুল্লাহ–আল্লাহ রহম করুন তাঁর এ বান্দার প্রতি।
