
ফাতেহ ডেস্ক
মঙ্গলবার দুপুরে সোনারগাঁ উপজেলার বারদী ইউনিয়নের মারকাজ মসজিদ সংলগ্ন ঈদগাহ্ মাঠে বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া সোনারগাঁ শাখার আঞ্চলিক পরীক্ষায় কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণ ও ইসলামী মহা সম্মেলনে প্রধান মেহমান হিসেবে আসেন হেফাজতে ইসলামের আমির ও বাংলাদেশ কওমী মাদ্রসা শিক্ষা বোর্ডর চেয়ারম্যান আল্লামা শাহ আহমদ শফি (দা.বা.)। সম্মেলনে আল্লামা আহমদ শফি মুসল্লিদের উদ্দেশে ১৩ মিনিটের বেশী বক্তব্য রাখেন।
বক্তব্যে আল্লামা শাহ আহমদ শফী সোনারগাঁয়ে একসময়কার দরসে হাদিসের ব্যাপক চর্চার কথা স্মরণ করে স্থানীয় অধিবাসীদেরকে বলেন, আপনারা অনেক ভাগ্যবান, কারণ এ সোনারগাঁ থেকে এক সময় ইলমে হাদিসের চর্চা শুরু হয়েছিল। আমার অনুরোধ সোনারগাঁয়ের প্রত্যেকটি মানুষ তার পরিবার থেকে অতন্ত একটি ছেলেকে আলেম মুফতি বানাবেন।
বক্তব্যের প্রাসঙ্গিক আলোচনায় তিনি কওমি মাদরাসা শিক্ষা সনদের স্বীকৃতি প্রসঙ্গ তুলেন। কিন্তু স্বীকৃতি প্রসঙ্গে বলা কথাগুলো নিয়ে তৈরী হয়েছে ধুম্রজাল। কেউ শুনে, কেউ না শুনে তৈরী করছেন বিভ্রান্তি।
তিনি কী বলেছিলেন?
আল্লামা শাহ আহমদ শফী কওমি মাদরাসা শিক্ষা সনদের স্বীকৃতি দান করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘কওমি মাদ্রাসার দাওরা হাদিসকে মাস্টার্সের সমমর্যাদা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী আলেমদের সম্মানিত করেছেন। স্বীকৃতি শুধু আমাকেই দিয়েছেন, আর কাউকে দেননি। বাংলাদেশের বড় বড় আলেমরা স্বীকৃতি চেয়েছেন এত বছর ধরে, কিন্তু কেউ দেয়নি।
শাইখুল ইসলাম আজিজুল হক রহ. ঢাকার এখানে সেখানে অনেক আন্দোলন করেছেন এই স্বীকৃতির জন্য। তখন প্রধামন্ত্রী ছিলো খালেদা জিয়া। কিন্তু খালেদা জিয়া সনদের স্বীকৃতি দেয়নি। এখন আফসোস করছে। এই আফসোস আর কাজে আসবে না।
স্বীকৃতি দিয়েছে শেখ হাসিনা। তার বাবা তাবলিগ জামাতের জন্য অনেক জায়গা দিয়েছিলেন। এখন উনার মেয়ে এমন একটা কাজ করেছে মৌলভিদের স্বীকৃতি দিয়ে, পৃথিবীতে তা আর কেউ করেনি। তিনি আমাদের সম্মানিত করেছেন।’
