মামলার এজহারে অমিত সাহাকে অন্তর্ভুক্তির দাবি জানালেন আবরারের বাবা

ফাতেহ ডেস্ক :

আবরারকে পিটিয়ে হত্যার অন্যতম অভিযুক্ত অমিত সাহাকে মামলার এজহার থেকে কেন বাদ দেয়া হয়েছে সে বিষয়ে কিছু জানেন না আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসের সাথে আলাপকালে বরকত উল্লাহ বলেন, আমি যখন কয়েকজন শিক্ষার্থীর সাথে চকবাজার থানায় মামলা করতে যাই তখন পুলিশের হাতে কয়েকজনের নাম এবং শিক্ষার্থীদের হাতে কয়েকজনের নাম ছিল। মামলার এজহারে কার নাম ছিল আর নাম ছিল না, তা আমি জানিনা। আমি শুধু সই করেছি।

তিনি আরও বলেন, আমার ছেলেকে যে রুমে নির্মমভাবে পেটানো হয়েছে সেই রুমে কে কে থাকে আমি সেটাও জানতাম না। আমি এদের কাউকে চিনি না আর আমাকে কেউ বলেও নাই। মামলা করার পর কয়েকটি গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের কাছ থেকে বিষয়টি জানতে পারি। আমার ছেলেকে যারা হত্যা করেছে আমি তাদের সবার বিচার চাই। এসময় তিনি কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, আপনারা একটু দেখবেন যেন মামলা থেকে কেউ বাদ না যায়।

এদিকে আবরার হত্যার পর বুয়েট ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক আশিকুল ইসলাম বিটু গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, আবরারকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন বুয়েট ছাত্রলীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক ও কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মুজতবা রাফিদ, উপ-সমাজসেবা সম্পাদক ইফতি মোশাররফ সকাল এবং উপ-আইন সম্পাদক অমিত সাহা।

শেরেবাংলা হলের কয়েকজন শিক্ষার্থী জানিয়েছেন আবরারকে যে রুমে পেটানো হয় সেখানে চার শিক্ষার্থী থাকেন। তাঁরা হলেন—বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের আইনবিষয়ক উপসম্পাদক ও সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র অমিত সাহা, উপদপ্তর সম্পাদক ও কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র মুজতাবা রাফিদ, সমাজসেবা বিষয়ক উপসম্পাদক ও বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র ইফতি মোশারফ ৷ আরেকজন চতুর্থ বর্ষের এক শিক্ষার্থী, যিনি দুর্গাপূজার ছুটিতে দুই দিন আগে গ্রামের বাড়িতে গেছেন ৷

তবে আবরার ফাহাদকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের আইনবিষয়ক উপ-সম্পাদক ও পুরকৌশল বিভাগের ছাত্র অমিত সাহাকে ইচ্ছাকৃতভাবে বাদ দেয়া হয়নি। তদন্ত সাপেক্ষে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশের ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চ-ডিবির (ঢাকা দক্ষিণ) এডিসি রাজীব আল মাসুদ।

আগের সংবাদআফগান প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে তৈরি হতে পারে রাজনৈতিক সঙ্কট
পরবর্তি সংবাদআসিম ওমর হত্যার দাবির কোনো ভিত্তি নেই : তালেবান