আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
কারাগারে আটকে রেখেই চীন সরকার উইঘুরদের গণহত্যা করার নীতি বেছে নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ওয়াশিংটনভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা তুর্কিস্তান ন্যাশনাল এ্যাওয়াকেনিং মুভমেন্টের পরিচালক কেইল ওলবার্ট। খবর আল-জাজিরার।
তিনি বলেন, উইঘুরদের ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এটা যেন পৌরাণিক কাহিনীর সেই ‘বয়েলিং ফ্রগের’ মতো। যেখানে বলা হয়েছে- তপ্ত পানিতে ব্যাঙ রাখলে সেটি তাৎক্ষণিক লাফ দিয়ে উঠে আসবে। কিন্তু সেটিকে বুঝতে না দিয়ে উষ্ণ পানিতে রেখে আস্তে আস্তে এমন পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে যাতে পরিণতি থেকে সে আর বেরিয়ে আসতে না পারে।
উইঘুরদের অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্দি রাখার আশঙ্কার কথা ব্যক্ত করে ওই মানবাধিকার কর্মী আরও বলেন, চীনারা যদি দিনে ১০ হাজার উইঘুরকে হত্যা করে, তবে তা বিশ্ববাসীর নজরে চলে আসবে। কিন্তু প্রত্যেককে যদি কারাগারে আটক রাখে, প্রাকৃতিকভাবে তারা মৃত্যুবরণ করেন, তা বিশ্ববাসীর চোখ তা এড়িয়ে যাবে।
প্রসঙ্গত, প্রথমে বন্দিশিবির থাকার কথা অস্বীকার করেছিল চীন সরকার। এরপর বন্দিরাখার নীতিকে দেশটি এই বলে ন্যায্যতা দেয়ার চেষ্টা করেছে যে, তাদের বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। ২০০৯ সালে জিনজিয়াংয়ের রাজধানী উরুমকিতে দাঙ্গায় শত শত লোক নিহত হয়েছেন। উইঘুরদের প্রতি চীনারা যে নীতি অবলম্বন করছে, তাকে নাৎসি জার্মানির সঙ্গে তুলনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু ক্রমবর্ধমান শক্তিশালী হতে যাওয়া বেইজিংকে প্রতিদ্বন্দ্বী পশ্চিমা দেশগুলোর বাইরে কোনো সমালোচনার মুখে পড়তে হচ্ছে না।
