আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
নভেম্বরে গাজায় ইসরাইলি সেনাবাহিনীর হামলায় ৩৪ জনের মতো ফিলিস্তিনি নিহত হয়, আহত হয় শতাধিক। তাদের মধ্যে এক পরিবারের নয়জনকে হত্যাকে ‘ভুল’ হিসেবে স্বীকার করে নিল তারা, যার মধ্যে পাঁচজনই ছিল শিশু। খবর আল জাজিরা।
মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি জানায়, সন্ত্রাসী সংগঠন ইসলামিক জিহাদের সশস্ত্র আবাসে তারা হামলার পরিকল্পনা করে। যেখানে বেসামরিক নাগরিকদের হতাহতের আশঙ্কা নেই। কিন্তু হামলা পরবর্তী এক তদন্তে সেনা বাহিনী জানতে পারে, সেখানে বেসামরিক লোক ছিল। তারা বলছে, এই ধরনের ‘অনিয়মিত ঘটনার পুনরাবৃত্তি হ্রাসে’ ভুল থেকে শিক্ষা নিচ্ছে।
পাশাপাশি বেসামরিক নাগরিকদের ঘনবসতি পূর্ণস্থানে সামরিক স্থাপনার তৈরির জন্য ইসলামিক জিহাদকে দোষারোপ করা হয়।
আকাশ থেকে হামলার সময় ১৪ নভেম্বর লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের কর্মচারী স্বারাকা বেদুইন গোত্রের রাশমি আবু মালহৌস ও তার ভাইয়ের বাড়িকে বেছে নেওয়া হয়। চারটি হামলায় ডেইর আল-বালাহের ওই বাড়ি গুঁড়িয়ে যায়। নিহত শিশুদের বয়স তিন মাস থেকে ১২ বছরের মধ্যে।
ইসরাইল আর্মির দাবি, সশস্ত্র গোষ্ঠী ইসলামিক জিহাদের আশ্রয়কেন্দ্র ছিল তাদের লক্ষ্যবস্তু। কিন্তু এই অভিযোগ নাকচ করেছে নিহতদের পরিবার। স্বারাকা বেদুইন গোত্রের সদস্য ও নিহতদের প্রতিবেশী মোহাম্মদ আওয়াদ ইসরায়েলি বাহিনীর বোমা হামলাকে ‘যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে উল্লেখ করেন। আল জাজিরাকে জানান, রাসমি ও তার ভাই মোহাম্মদ বেসামরিক নাগরিক। তাদের সঙ্গে সশস্ত্র গোষ্ঠীর কোনো সম্পর্ক ছিল না।
