শেষ শয্যায় শায়িত আল্লামা তাফাজ্জুল হক হবিগঞ্জী

শেষ শয্যায় শায়িত আল্লামা তাফাজ্জুল হক হবিগঞ্জী

ফাতেহ ডেস্ক :

শেষ শয্যায় শায়িত হলেন শায়খুল হাদীস আল্লামা তাফাজ্জুল হক হবিগঞ্জী। এর আগে সকাল সাড়ে দশটার দিকে জামিয়া ইসলামিয়া আরাবিয়া উমেদনগর মাদরাসার মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

সর্বস্তরের জনগণের সাথে এ জানাজার নামাজে অংশ নেন- জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সভাপতি আল্লামা আব্দুল মুমিন (শায়েখে ইমামবাড়ি), জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক নুর হোসাইন কাসেমী, ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুল লতিফ নেজামী, ইসলামী ঐক্যজোটের সাধারণ সম্পাদক মুফতি ফয়জুল্লাহ, বেফাকের সহ সভাপতি মাওলানা আনাছ মাদানী, মুসলেহুদ্দীন রাজু, বাহাউদ্দিন যাকারিয়া।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন- খেলাফত মজলিসের সিলেট জোনের সহকারী পরিচালক এড. আব্দুল করিম, হবিগঞ্জ জেলা সভাপতি, মরহুমের বেয়াই মাওলানা হুসাইন আহমদ নুরীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ব্যক্তিসহ আরো অনেকে।

উল্লেখ্য, শায়খুল হাদিস আল্লামা তাফাজ্জুল হক হবিগঞ্জী দীর্ঘ দিন ধরে তাঁর প্রতিষ্ঠিত জামিয়া উমেদনগর হবিগঞ্জে বোখারি শরিফের দরস দিয়ে আসছিলেন। চলতি বছর সিলেটের শীর্ষস্থানীয় মাদরাসা জামিয়া তাওয়াক্কুুলিয়া রেঙ্গার শায়খুল হাদিস আল্লামা শিহাব উদ্দীন রহ. ইন্তেকাল করলে তিনি রেঙ্গা মাদরাসার শায়খুল হাদিস হিসেবেও দায়িত্বপ্রাপ্ত হন।

হাদিসের খেদমতের পাশাপাশি তিনি কয়েক যুগ ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অনুষ্ঠিত তাফসির মাহফিলগুলোতে সাধারণ মানুষের উদ্দেশে কুরআনের তাফসির পেশ করে আসছিলেন। এ ছাড়া দেশের শীর্ষস্থানীয় ও মুরব্বি আলেম হিসেবে ধর্মীয় ঘরানায় তিনি সম্মানীয় ও শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তিত্ব ছিলেন।

গত বেশ কিছুদিন যাবত তিনি শ্বাসকষ্ট ও হার্টের সমস্যায় ভুগছিলেন। গত কয়েকমাসে হার্টের সমস্যা বেড়ে গেলে বেশ কয়েকবার তাঁকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকতে হয়েছিল। কিন্তু কিছুদিন যাবত মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। রোববার দুপুরে হঠাৎ শ্বাস কষ্ট বেড়ে যাওয়ায় প্রথমে হবিগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় হবিগঞ্জের ডাক্তারগণ তাঁকে সিলেট রেফার করেন। পরে অক্সিজেন লাগিয়ে সিলেটে নেয়ার পথে আউশকান্দি এলাকা অতিক্রমের সময় বিকাল সাড়ে চারটার দিকে তিনি শেষঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

আগের সংবাদনাগরিকত্ব আইনের পর এবার বিজেপির লক্ষ্য এনআরসি
পরবর্তি সংবাদঅস্ট্রেলিয়ায় ভয়াবহ দাবনলে অন্তত ৫০ কোটি প্রাণীর প্রাণহানি