রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চায় বাংলাদেশ

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চায় বাংলাদেশ

ফাতেহ ডেস্ক :

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের বিষয়ে মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চায় বাংলাদেশ। এজন্য মিয়ানমারের পররাষ্ট্র সচিবকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে সরকার। দেশটির পররাষ্ট্র সচিবের ঢাকা সফরে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সংক্রান্ত যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক করতে চায় সরকার।

পররাষ্ট্র সচিব এম শহীদুল হক গণমাধ্যমকে বলেন, ‘প্রত্যাবাসন নিয়ে মিয়ানমারের সঙ্গে আমাদের আলোচনা অব্যাহত থাকবে। আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার হচ্ছে প্রত্যাবাসন। এটি যেন টেকসই হয় এবং রোহিঙ্গারা যেন আর ফিরে না আসে সেজন্য ২০১৭ সালে আমরা একটি চুক্তি সই করেছি। তার আলোকে আমরা কাজ করবো।’

এদিকে বৃহস্পতিবার সেন্টার ফর জেনোসাইড স্টাডিজের উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র সচিব বলেছেন, ‘আন্তর্জাতিক বিচারিক আদালতের আদেশ রোহিঙ্গাদের আস্থা ফেরাতে এবং ফেরত যেতে উৎসাহিত করবে।’

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) নেদারল্যান্ডসের হেগে অবস্থিত আন্তর্জাতিক বিচারিক আদালত রোহিঙ্গা গণহত্যা ইস্যুতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গাম্বিয়ার মামলায় চারটি অন্তবর্তীকালীন আদেশ দিয়েছে। আদেশগুলো হচ্ছে গণহত্যা কনভেনশনের ২ ধারা অনুযায়ী মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের হত্যা, শারীরিক ও মানসিক ক্ষতি করতে পারবে না এবং উদ্দেশ্যমূলকভাবে এ সম্প্রদায়ের কোনও ক্ষতি করবেনা; দ্বিতীয় আদেশটি হচ্ছে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী বা অন্য কোনও ধরনের বাহিনী গণহত্যা করবে না, গণহত্যা করার ষড়যন্ত্র করবে না বা গণহত্যাকে উৎসাহিত করে এমন কোনও ঘৃণা বক্তব্য দেবে না; তৃতীয় হচ্ছে গণহত্যা সংক্রান্ত কোনও প্রমাণ নষ্ট বা ধ্বংস করা যাবে না; এবং চতুর্থ হচ্ছে চার মাস পরে মিয়ানমার এগুলো পালনের জন্য কী পদক্ষেপ নিয়েছে সে বিষয়ে আদালতে প্রতিবেদন উপস্থাপন করবে এবং মামলা চলাকালীন সময়ে প্রতি ছয় মাস পরপর প্রতিবেদন দেবে। আদালত আরও জানিয়েছে, মিয়ানমারের দেওয়া প্রতিবেদনের ওপর গাম্বিয়া মন্তব্য করতে পারবে।

আগের সংবাদদেশে ডিভোর্সের হার বেড়ে যাওয়াটা দুঃখজনক ও লজ্জাজনক : রাষ্ট্রপতি
পরবর্তি সংবাদবাবরি মসজিদের পর বারাণসীর মসজিদ দাবি করছে হিন্দুরা, শুনানি ৩ ফেব্রুয়ারি