ফাতেহ ডেস্ক :
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) হাতে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যার প্রতিবাদে একাই আমরণ অনশনে বসেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) প্রাণিবিদ্যা বিভাগের ৪৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আদিব আরিফ। গেল শনিবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরের দিক থেকে চার দফা দাবিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অনশন চালিয়ে আসছেন তিনি।
আরিফের দাবির সঙ্গে সংহতি জানিয়ে রবিবার অনশনে যোগ দেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) বিবিএ-এর শিক্ষার্থী নাজমুল করিম। তাদের দাবিগুলো হল-
১.ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে সকল হত্যার আন্তর্জাতিক আইনে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে।
২.ভারতকে সীমান্ত হত্যার জন্য ক্ষমা চেয়ে আর হত্যা না করার প্রতিশ্রুতি দিতে হবে।
৩.সীমান্তে হত্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সকল পরিবারকে তদন্ত সাপেক্ষে দুই দেশের যৌথভাবে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
৪.বাংলাদেশের সংসদে সীমান্তে হত্যার প্রতিবাদ করে নিন্দা জানাতে হবে।
গণমাধ্যমকে আরিফ বলেন, ‘গত দশ বছরে ২০১০ সাল থেকে ২০১৯ সালে সীমান্তে ভারত ৩০০ মানুষ হত্যা করেছে। ২০১৯ সালে এই সংখ্যাটা ছিল ৪৬। আর ২০২০ সালে মাত্র ২৩ দিনেই হত্যা করেছে ১৫ জন। ২০১৮ সালের তুলনায় ২০১৯ সালে সীমান্তে হত্যা তিনগুণ। আর এভাবে চলতে থাকলে ২০২০ সালে সংখ্যাটা ৪০০ও ছাড়াতে পারে।’
সবাইকে এই নির্বিচার হত্যাযজ্ঞের প্রতিবাদে রাস্তায় এসে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান আরিফ।
