আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
লিবিয়ার বিবদমান দুই পক্ষ দেশটিতে স্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। উত্তর আফ্রিকার দেশটিতে স্থায়ী যুদ্ধবিরতির উদ্দেশ্যে জেনেভায় জাতিসঙ্ঘের নেতৃত্বে দু’পক্ষের আলোচনা শুরু করার পর গতকাল মঙ্গলবার সাংবাদিকদের এ কথা জানান লিবিয়াবিষয়ক জাতিসঙ্ঘ দূত গাসসান সালাম।
তিনি বলেন, বিবদমান দু’পক্ষের মধ্যে আলোচনা শুরুর সদিচ্ছা ছিল। তিনি বলেন, জাতিসঙ্ঘ সমর্থিত ত্রিপোলিভিত্তিক জাতীয় ঐক্যের সরকার বা জিএনএ ও পূর্ব লিবিয়াভিত্তিক বিদ্রোহী জেনারেল হাফতারের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রতিনিধিরা অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিকে স্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে পরিণত করতে নীতিগতভাবে একমত হয়েছেন।
তিনি আরো বলেন, প্রথম অধিবেশনেই এই নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। এখন প্রশ্ন রয়েছে শর্তগুলো নিয়ে। অবশ্য তিনি সাংবাদিকদের জানান, উভয় পক্ষই অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করছে এবং নতুন ভাড়াটিয়া সৈন্যরা এখনো লিবিয়ায় আসছে।
লিবিয়ার সঙ্কটের রাজনৈতিক সমাধানের লক্ষ্যে জাতিসঙ্ঘের নেতৃত্বে আলোচনা শুরু করেছে দেশটিতে যুদ্ধরত দুই পক্ষ। সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) জেনেভায় ওই আলোচনা শুরু হয়েছে। এতে অংশ নিচ্ছে জাতিসঙ্ঘ সমর্থিত লিবিয়ার জাতীয় ঐক্যের সরকারের (জিএনএ) পাঁচ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিদ্রোহী সামরিক নেতা খলিফা হাফতার নিযুক্ত পাঁচ প্রতিনিধি।
লিবিয়ার সঙ্ঘাতের রাজনৈতিক সমাধান খুঁজে বের করতে গত ১৯ জানুয়ারি বার্লিনে এক দিনের শান্তি সম্মেলন আয়োজন করেন জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মারকেল। ওই সম্মেলনে তুরস্ক, ফ্রান্সসহ ১২টি আঞ্চলিক দেশ লিবিয়ায় বিদেশী হস্তক্ষেপ বন্ধের বিষয়ে একমত হয়। এ ছাড়া জাতিসঙ্ঘের নেতৃত্বে লিবিয়ার ঐক্য প্রতিষ্ঠায় রাজনৈতিক ও পুনর্গঠন প্রক্রিয়া শুরুর বিষয়েও সম্মতি আসে ওই সম্মেলনে।
