
ফাতেহ ডেস্ক:
বাংলাদেশকে ১০৫ কোটি ডলার বা প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। কর্মস্থান সৃষ্টি, অর্থনীতি পুনরুদ্ধার ও নভেল করোনাভাইরাসের মতন মহামারি প্রতিরোধে সক্ষমতা বাড়াতেই তিনটি প্রকল্পে ব্যয়ের জন্য এই ঋণের অনুমোদন দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। (শুক্রবার) যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে অবস্থিত বিশ্বব্যাংকের প্রধান কার্যালয় এই ঋণের অনুমোদন দেয়া হয়।
করোনা মহামারিতে যখন বিপর্যস্ত বিশ্ব অর্থনীতি। আর এর প্রভাবে ব্যাপক ক্ষতির শিকার হচ্ছে বাংলাদেশও। ৬৬ দিন বন্ধ রাখার পর সীমিত পরিসরে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড চালু হলেও সেভাবে গতি আসেনি। আবার টানা বন্ধের ধকল সইছে ব্যবসা ও বাণিজ্য।
তাই এসব ক্ষতি কাটাতেই এরই মধ্যে নানা উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এমনকি এগিয়ে এসেছে বিভিন্ন সংস্থাও। এপ্রিলে স্বাস্থ্য সরঞ্জাম কিনতে বাংলাদেশের জন্য ১০ কোটি ডলার বা ৮৫০ কোটি টাকার ঋণ অনুমোদন করেছিল বিশ্বব্যাংক। তার দুই মাস পর আবারও ১০৫ কোটি ডলারের ঋণ অনুমোদন করল সংস্থাটি।
নতুন এই ঋণের অর্থ ব্যয় করা হবে বিনিয়োগ আকর্ষণের প্রকল্পে। এতে ১ লাখ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। এছাড়াও নানা ধরনের প্রশিক্ষণ পাবেন ১ লাখ বেকার। চট্টগ্রামের মিরসরাইতে দ্বিতীয় বঙ্গবন্ধু শিল্পনগরেরও উন্নয়ন করা হবে।
তাছাড়াও আরেকটি প্রকল্পের মাধ্যমে ১ লাখ নারীর কর্মসংস্থান তৈরি হবে যাতে ডিজিটাল প্রযুক্তির প্রশিক্ষণ দেয়া হবে ১ লাখ যুবককেও। ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ এবং কৌশলগত শিল্পকে ডিজিটালাইজড করতেও সহায়তা করবে প্রকল্পটি। তাই এই ঋণ কঠিন সময় মোকাবিলায় সহায়তা করবে বলেও জানিয়েছেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান।
এছাড়াও ঋণের আওতায় বাজেট সহায়তা হিসেবে পাওয়া যাবে ২৫০ মিলিয়ন ডলার।
-এ
