
ফাতেহ ডেস্ক:
সিলেবাস সংক্ষিপ্ত করে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষা নেয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। করোনার প্রকোপ কমলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দ্রুত শিক্ষাবর্ষ শেষ করার চিন্তা। তবে শিশুদের মানসিক চাপমুক্ত রাখতে পরিস্থিতি বিবেচনা করে পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। এ ব্যাপারে অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর পরমর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
অর্থিক অনটনে বাবার সাথে পত্রিকা বিক্রি করছে রাজধানীর মহাখালী এলাকার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র পিয়াল হাসান। দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ থাকায় পড়াশুনা শিকেয় উঠতে বসেছে।
পিয়ালের মতো, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশ দরিদ্র। ফলে টেলিভিশনে পাঠ দান, বা অনলাইনে ক্লাসের উদ্যোগ তাঁদের জন্য কাজে আসছে না। করোনার কারণে দীর্ঘ ছুটিতে প্রাথমিক পর্যায়ের ১ কোটি ৪০ লাখ শিশু শিক্ষার্থীর পড়াশোনা মুখ থুবড়ে পড়েছে।
পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য তিন মাসের রিকোভারি প্ল্যান করছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তর। এ সময় তাদের প্রতি বাড়তি নজর দেয়ার পরামর্শ শিক্ষাবিদদের।।
স্কুল খোলার পর সংশোধিত সিলেবাস তৈরি করে পরীক্ষা নেয়া হবে বলে জানান প্রাথমিক ও গণমিক্ষা প্রতিমন্ত্রী।
টেলিভিশনের পাশাপাশি বেতারেও প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের পাঠদান শুরু করা হবে বলেও জানান তিনি।
-এটি
