
ফাতেহ ডেস্ক:
চলতি মৌসুমে সরকারের ধান-চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হচ্ছে না। আর দুই সপ্তাহ বাকি আছে কিন্তু সংগ্রহ হয়েছে লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেকেরও কম। করোনা ও দীর্ঘমেয়াদী বন্যার কারণে সংগ্রহ অভিযান ব্যাহত হয়েছে। আর এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে বাড়তি দামে চাল কিনতে সরকারকে চাপে ফেলেছে মিল মালিকরা। অস্বস্তিকর পরিস্থিতি এড়াতে ইতিমধ্যে চাল আমদানির ঘোষণা দিয়েছে সরকার।
দেশে ধানের বাম্পার উৎপাদন হলেও সরকারী ভাবে ধান-চালের কেনার পরিমাণ খুবই কম। ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সরকারি পর্যায়ে এই সংগ্রহের কর্মসূচি চলবে। কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক জানিয়েছেন খুবই নাজুক অবস্থায় রয়েছে এ বছরের সংগ্রহ কর্মসূচী। অর্ধেকের কম সংগ্রহ করা হয়েছে এ পর্যন্ত।
সরকারের কৃষি সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো বলছে, বিভিন্ন খাদ্য কর্মসূচীতে কাজে লাগাতে মোটা চাল সংগ্রহ করে সরকার। কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে মোটা চালের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় মিল মালিকরা এই সুযোগটি নিয়েছে। এ বছর সরকারের কাছে বাড়তি দাম চাইছেন মিলাররা।
এমন পরিস্থিতিতে প্রয়োজনে চাল আমদানি করার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। তবে কৃষি অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, দেশে যে পরিমান ধান-চাল রয়েছে তা চাহিদার চেয়ে বেশি।
চালের বাজার নিয়ে সরকারকে অস্বস্তির মধ্যে ফেলতে এক শ্রেনীর ব্যবসায়ী চাল মজুদ করছে যা এড়াতে সরকার আমদানি করে স্বস্তির মধ্যে থাকতে চাইছে বলে জানান ব্রির’ মহাপরিচালক শাহজাহান কবীর।
