রোহিঙ্গা ‘রাজনীতিবিদদের’ নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা

ফাতেহ ডেস্ক:

মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ দেশটির জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ক্ষেত্রে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিম রাজনীতিবিদদের কয়েকজনকে অযোগ্য ঘোষণা করেছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, ওই রাজনীতিবিদদের জাতীয় পরিচয়পত্রে সমস্যা রয়েছে। আর সে কারণেই তাদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে।

আল-জাজিরা বলছে, মিয়ানমারে সাধারণ নির্বাচন আগামী ৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। অন্তত একডজন রোহিঙ্গা মুসলমান ওই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য আবেদন করেছেন। কিন্তু এর মধ্যে অন্তত ৬ জনকে অযোগ্য ঘোষণা করেছে দেশটির সরকার।

প্রসঙ্গত, সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে বসবাস করেন। কিন্তু দীর্ঘ বছর থেকে বৌদ্ধ অধ্যুষিত মিয়ানমারের সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের ওপর দমনপীড়ন চালিয়ে আসছিল। সবচেয়ে ভয়ংকর দমনপীড়নের ঘটনা ঘটে ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে। রাষ্ট্রীয় মদদে দেশটির এই সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর ওপর গণহত্যা ও ব্যাপক নির্যাতন চালায় মিয়ানমার আর্মি।তাদের বর্বরতা সহ্য করতে না পেরে শুধু ওই বছরই সাড়ে সাত লাগের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে।

এদিকে, উল্লিখিত রাজনীতিবিদদের প্রার্থিতা বাতিলের বিষয়ে দেশটির কর্মকর্তারা বলেছেন যে, তাদের বাবা-মা মিয়ানমারের নাগরিক ছিলেন- সেটা তারা প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছেন। সে কারণেই তাদের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে। মিয়ানমারের নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, কেউ নির্বাচনে প্রার্থী হতে হলে তার বাবা-মাকে দেশটির নাগরিক হতে হয়।

তবে যাদের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে, আবদুর রশীদ নামে তাদের একজন প্রার্থী জানান, কর্তৃপক্ষ আবেদনের সঙ্গে যেসব কাগজপত্র চেয়েছে, তার সবই দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তার পরও তার প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে।

আগের সংবাদফের উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র, নিহত ২
পরবর্তি সংবাদমিয়ানমারে ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতার দাবি যুক্তরাষ্ট্রের