
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
পাঠ্যক্রম ও পড়ানোর ভিত্তিতে ভারতের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের করা তালিকায় ৯০ শতাংশ স্কোর করে সবার ওপরে রয়েছে জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়। ৮৩ শতাংশ স্কোর করে এরপর (২য় স্থান) অরুণাচল প্রদেশের রাজীব গান্ধী বিশ্ববিদ্যালয়। ৮২ ও ৭৮ শতাংশ স্কোর করে তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে আছে দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় (জেএনইউ) ও আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়। খবর স্ক্রল ডট ইন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্ডার গ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রাম, স্নাতকোত্তর, পিএইচডি, এমফিল অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের সংখ্যা, তাঁদের কাজ বা গবেষণার মানসহ শিক্ষাবিষয়ক বিভিন্ন সূচক বিবেচনা করা হয়েছে তালিকা প্রস্তুতির সময়। বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা, অন্য রাজ্য এবং অন্য দেশ থেকে আসা শিক্ষার্থীদের সংখ্যার শতাংশও স্কোর গড়তে সাহায্য করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে। আবার ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্ক, শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত, শিক্ষকের শূন্যপদ, ভিজিটিং অধ্যাপক প্রভৃতিও বিচার করা হয় স্কোর করার সময়। পাশাপাশি, ক্যাম্পাস ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে ন্যাশনাল ইলিজিবিলিটি কাম এন্ট্রান্স টেস্ট বা নেটের মতো পরীক্ষাগুলোতে কতজন সুযোগ পেয়েছেন, তাও বিবেচনায় আনা হয়েছে। পরিচালন দক্ষতা, অর্থের সঠিক ব্যবহার এবং কিছু কো-কারিকুলার ও এক্সট্রা-কারিকুলার অ্যাকটিভিটিতেও অনেকখানি বেশি স্কোর করেছে জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়।
জামিয়ার ভাইস চ্যান্সেলর নাজমা আখতার জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের এমন সাফল্যে তাঁরা খুশি। আসছে বছরে তাঁরা এই ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে চান।
উল্লেখ্য, গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর থেকে ভারতসহ বিশ্ব গণমাধ্যমের শিরোনামে ছিল দিল্লির জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়। ভারতের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের (সিএএ) বিরোধিতা করে নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিরুদ্ধে জামিয়ার শিক্ষার্থীরা লাগাতার আন্দোলন করেন। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন, নাগরিক পঞ্জির মতো ইস্যুতে নির্যাতন সয়ে আন্দোলন চালিয়ে গেছেন জামিয়ার শিক্ষার্থীরা। এর জন্য খেসারতও দিতে হয়েছে তাঁদের। কপালে ‘দেশদ্রোহী’ খেতাব জুটেছিল। আন্দোলনকারীদের ওপর অমানবিক নির্যাতনও চালানো হয়েছে। পুলিশ দিয়ে আন্দোলনকারীদের মারধর করা হয়।
