
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের শতকরা ৯০ ভাগ আরব ইজরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিককরণ বিষয়ে নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করে । অপর দিকে শতকরা মাত্র পাঁচ ভাগ স্বাভাবিক সম্পর্ককে ইতিবাচক হিসেবে দেখেন।
গতকাল রবিবার (১২ অক্টোবর) সম্পর্ক স্বাভাবিককরণ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আরবদের মনোভাব নিয়ে ই ইজরাইলের পরিকল্পনা বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। ইজরাইলের সংবাদমাধ্যম ‘ওয়ালা’ এ খবর নিশ্চিত করেছে।
প্রতিবেদনের পরিসংখ্যানে আরো জানা যায়, স্বাভাবিক সম্পর্ক নিয়ে শতকরা ৯৫ ভাগ সমালোচনা সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতি, বাহরাইনের প্রতি নয়। আর আরব আমিরাতই স্বাভাবিক সম্পর্ক তৈরিতে প্রধান ভূমিকা পালন করে। এ ধরনের তীব্র সমালোচনার জন্য ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ, হামাস, হিজবুল্লাহ, ইরান ও ফিলিস্তিনভিত্তিক বিভিন্ন সামাজিক সংস্থাকে দায়ী করা হয় প্রতিবেদনে।
সম্পর্ক স্বাভাবিককরণের বিরুদ্ধে সমালোচনা কমাতে ইজরাইলের মন্ত্রণালয়টি স্বাভাবিক সম্পর্কের নানাবিধ সুবিধার প্রতি উপসাগরীয় দেশগুলোসহ সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এ ছাড়া আরবি ভাষায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ইজরাইলকে তৎপর হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
ইজরাইলের পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় পরিসংখ্যানটি ১২ আগস্ট থেকে ৮ সেপ্টেম্বর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিরীক্ষার মাধ্যমে করা হয়। তা ছাড়া ১৫ সেপ্টেম্বর হোয়াইট হাউসে চুক্তি স্বাক্ষর আগেও নিরীক্ষা করা হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রধানত ফেসবুক ও টুইটার নিরীক্ষণ করেই পরিসংখ্যানটি প্রস্তুত করা হয়।
ইজরাইলের পরিকল্পনামন্ত্রী ওরিট ফারকাশ হ্যাকোহেন প্রণীত পরিকল্পনার বাস্তবায়ন হিসেবে এই পরিসংখ্যানটি তৈরি করা হয়। ইজরাইল বয়কটের বিরোধী কার্যক্রমের অংশ হিসেবে তা প্রণয়ন করা হয়। ইজরাইলের প্রতি মানুষের ইতিবাচক মনোভাব তৈরিতে ফারকাশ হ্যাকোহেনের উদ্যোগে ইজরাইলের মন্ত্রণালয়গুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিবিড় পর্যবেক্ষণ করছে। এটি স্বাভাবিক সম্পর্কের প্রতি আরব ও পশ্চিমা বিশ্বে ইতিবাচক জনমত গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।
সূত্র : আলজাজিরা ও নিউজ ওয়াল।
