সত্য বললে বুকে গুলি করবো: এসআই আকবর

ফাতেহ ডেস্ক:

আদালতে কনস্টেবল সাইদুর রহমান ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে বলেছেন, ফজরের আগে আগে যখন রায়হানের মৃত্যু নিশ্চিত হয় তখন ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আকবর আমাকে বললেন, ‘সিনিয়র স্যাররা এলে বলবি, ফাঁড়িতে এনে কাউকে নির্যাতন করা হয়নি। রায়হান ছিনতাই করতে গিয়ে ধরার পড়ার পর মারাত্মক গণপিটুনির শিকার হয়। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।’

এদিকে রায়হানের মৃত্যুতে গত ২২ অক্টোবর যে চূড়ান্ত ময়নাতদন্তের রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে তাতে বলা হয়, ভোতা অস্ত্রের একের পর এক আঘাতে মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়। প্লাস কিংবা অন্য কোনো যন্ত্র দিয়ে টেনে উপড়ে ফেলা হয় দুটি নখ। মৃত্যুর ২ থেকে ৪ ঘণ্টা আগে এসব নির্যাতন চালানো হয়েছে। অতিরিক্ত আঘাতের কারণে শরীরের ভেতরের রগ ফেটে গিয়ে যে ইন্টারনাল ব্লিডিং হয়েছে, তার কারণেই রায়হানের মৃত্যু হয়।

গত ১১ অক্টোবর ঘটে এমন নৃশংস ঘটনা। রায়হানের মা সালমা বেগম বলেন, ডিউটি শেষে রাত ১০টায় রায়হানের ফেরার কথা থাকলেও মধ্যরাত পর্যন্ত ফেরেনি। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে ভোর ৪টা ২৩ মিনিটে একটি নম্বর থেকে (০১৭৮ ৩৫৬১১১১) কল করে ১০ হাজার টাকা নিয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে যেতে বলা হয়। ঘণ্টাখানেকের মধ্যে ফাঁড়িতে যাওয়ার পর বলা হয়, রায়হান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সেখানে গিয়ে দেখতে পাই আমার ছেলে মৃত।

আগের সংবাদ‘কয়েকটি দেশে করোনা পরিস্থিতি খুবই বিপজ্জনক হবে’
পরবর্তি সংবাদস্বাস্থ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনা টাস্কফোর্স গঠন