জয়ের বন্দরে পৌঁছাচ্ছে আজারবাইজান: এরদোগান

ফাতেহ ডেস্ক:

আজারবাইজান নাগর্নো-কারাবাখ ইস্যুতে আর্মেনিয়ার বিরুদ্ধে জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যিব এরদোগান। ক্ষমতাসীন জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির (একে পার্টি) ৭ম কংগ্রেসে অংশ নিয়ে শনিবার এ কথা জানান তিনি।

এরদোগান বলেন, আজারবাইজান নাগর্নো-কারাবাখে আর্মেনিয়ার ৩০ বছরের দীর্ঘ দখলদারিত্বের অবসান ঘটানোর যে প্রচেষ্টা চালাচ্ছে, তার কাছাকাছি চলে যাচ্ছে তারা। বলকান টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।

এ সময় তুর্কি প্রেসিডন্ট বলেন, তিনি তার ‘ভাই’ আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। এ সময় আলিয়েভ তাকে নাগর্নো-কারাবাখের ব্যাপারে ইতিবাচক উন্নতির খবর দিয়েছেন।

নাগর্নো-কারাবাখ আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃত। কিন্তু বিগত ৩০ ধরে সেটি দখলে রেখেছে আর্মেনিয়া সমর্থিত বিচ্ছিন্নবাদীরা।

বিষয়টি উল্লেখ করে তুর্কি প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘তারা ৩০ বছর ধরে দখলকৃত ভূমি থেকে দূরে রয়েছে। তবে এখন আশা করা যায়, দখলকৃত ভূমি তারা (বাকু) নিজেদের ভূমির সঙ্গে একত্রিত করতে পারবে।’

প্রসঙ্গত, নাগর্নো-কারাবাখ অঞ্চলটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারি ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃত হলেও ৯০-এর দশক থেকে নিয়ন্ত্রণ করছে আর্মেনীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। তাদের সহায়তা করা আর্মেনিয়ার সঙ্গে আজারিদের দীর্ঘ যুদ্ধে ৩০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হওয়ার পর যুদ্ধ বিরতি কার্যকর হয়।

কিন্তু গত ২৭ সেপ্টেম্বর আজারি সেনাদের টার্গেট করে ফের হামলা চালায় বিচ্ছিন্নতবাদীরা। এর পর থেকেই নতুন করে প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়ার মধ্যস্থাতায় আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান দুই দফা যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলেও তা কার্যকর হয়নি। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া তৃতীয় দফা যুদ্ধবিরতিও মানেনি দেশ দুটি।

অধিকন্তু পুরো নাগর্নো-কারাবাখ পুনরুদ্ধারের অঙ্গীকার করা আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ এ যুদ্ধের শেষ দেখে ছাড়বেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন। আর্মেনীয় প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ানও বলেছেন, তারাও শেষ পর্যন্ত আজারিদের প্রতিহত করে যাবেন।

আগের সংবাদপরাজয় স্বীকার না করার ঘোষণা ট্রাম্পের
পরবর্তি সংবাদজনগণই আমাদেরকে সুস্পষ্ট বিজয় দিয়েছে: জয়ের পর প্রথম ভাষণে বাইডেন