
আন্তর্জতিক ডেস্ক:
ইথিওপিয়া থেকে শতাব্দীর ২য় বৃহত্তম শরণার্থী স্রোত এখন সুদানমুখী। এবার দেশটির প্রায় ২ লাখ শরণার্থী যাচ্ছেন সুদান অভিমুখে। একই সঙ্গে শরণার্থী সঙ্কটে পড়তে পারে ইরিত্রিয়াও। এসব শরণার্থীর কারণে ভঙ্গুর অর্থনীতির দেশগুলোতে দেখা দিতে পারে বড় ধরণের সামাজিক ও রাজনৈতিক সমস্যা। খবর সিএনএন, এনপিআর।
জাতিসংঘ রোহিঙ্গাদের উপর চালানো নির্যাতনকে শুরুতে জাতিগত নিধন আর পরে গণহত্যার স্বীকৃতি দেয়। এখনও ইথিওপিয়ার ঘটনাকে এ ধরনের কিছু না বলা হলেও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিগরে অঞ্চলে গণহত্যার যথেষ্ট আলামত রয়েছে। শরণার্থী হতে যাওয়া এসব মানুষের সাক্ষাতকার নেয়া হলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়ে উঠবে বলেও অভিমত তাদের।
কেউ কেউ বলছেন, ইথিওপিয়ার গল্পটি মিলে যায় ২০১৭ সালে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে পালিয়ে আসার সঙ্গে। সেবার মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর তাণ্ডবে বাংলাদেশে আশ্রয় নেন প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা। তখন দেশটির ক্ষমতায় ছিলো শান্তিতে নোবেল বিজয়ী অং সান সুচির দল। আর বর্তমানে ইথিওপিয়ার ক্ষমতায় আছেন আরেক নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী আবি আহমেদ।
