
ফাতেহ ডেস্ক:
পদ্মা সেতু এলাকা থেকে: ২০১৪ সালের ডিসেম্বর মাসে শুরু হয়েছিল যে সেতুর নির্মাণ কাজ। আর সেই সেতুটিই ২০২০ সালের ডিসেম্বরে এসে পেতে যাচ্ছে পূর্ণতা। দৃশ্যমান হবে নকশানুযায়ী পদ্মা সেতুর সম্পূর্ণ অংশ। মানে ৬ দশমিক ১৫ মিটার। এ যেন বিজয়ের মাসে আরেক বিজয়!
আজ থেকে ৪৯ বছর আগে ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছিল যে স্বাধীনতা, সেই স্বাধীনতার আরেক ভিন্ন স্বাদ গ্রহণ করতে যাচ্ছে বাংলার ১৭ কোটি মানুষ। তাও আবার বিজয়ের এই মাসেই। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে স্বপ্নের পদ্মা সেতুর সর্বশেষ ৪১তম স্প্যানটি বসতে যাচ্ছে আজই।
আর সর্বশেষ এই স্প্যান বসার মধ্যে দিয়েই সূচনা হবে ইতিহাসের মাইলফলক। এই পদ্মা সেতুই আজ সারা বিশ্বকে জানান দিবে বাংলাদেশের সাহসিকতার কথা। বিজয়ের এই মাসে নতুন করে আবার বাংলাদেশকে চিনবে সারা বিশ্ব।
এরই মধ্যে বুধবার (৯ ডিসেম্বর) বিকেলে মাওয়া কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে ৪১তম স্প্যানটিকে ভাসমান ক্রেনে ‘তিয়ান-ই’ তুলে নির্ধারিত পিলারের কাছে নিয়ে এসেছে পদ্মা সেতু নির্মাণ প্রকল্পের মূল সেতুর কাজে নিয়োজিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপ অব লিমিটেড। আর এই স্প্যানটি বসবে সেতুর ১২ ও ১৩ নম্বর পিলারের ওপর।
২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। তারপর স্বপ্নের সেতুর প্রথম স্প্যান বসানো হয়েছিল ২০১৭ সালে।
উল্লেখ্য, মূল সেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি) ও নদীশাসনের কাজ করছে দেশটির আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন।
