
ফাতেহ ডেস্ক:
নানামুখী বক্তব্য-নিজ দলের নেতাদের সমালোচনা পাল্টা সমালোচনা এবং ব্যক্তিগত রেষারেষি সবমিলিয়ে দলের কয়েক নেতার কর্মকাণ্ডে বিব্রত আওয়ামী লীগ। দলের কেন্দ্রীয় নেতারা বলছেন, এসব বন্ধ করতে মৌখিকভাবে সতর্ক করা হচ্ছে। না মানলে নেয়া হলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা।
আলোচনার শুরু নোয়াখালীর বসুর হাট পৌর নির্বাচনের প্রার্থী ও দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই মির্জা কাদেরের বক্তব্যে। পরবর্তীতে তার সাথে বাগ যুদ্ধে জড়ান ফরিদপুরের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য যুবলীগ নেতা নিক্সন চৌধুরী। এর আগে ফুলবাড়িয়া সুপার মার্কেটের দোকান বরাদ্দের দূর্নীতি নিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক ও বর্তমান দুই মেয়রের বাগযুদ্ধ, যা গড়ায় আদালত পর্যন্ত।
দলের নেতারা মনে করছেন-এগুলো দায়িত্বশীলদের দায়িত্বহীন আচরণ।
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, “সমসাময়ীক যে বিষয়গুলো আসছে, এগুলো দলের জন্য বিব্রতকর অবশ্যই। আমার কথা হল, দায়ত্বশীলরা দায়িত্বহীন কোনো কর্মকাণ্ড করবে এটা হয় না। দলের ভেতরে অনেক আলোচনা থাকতে পারে, সেগুলো দলের আভ্যন্তরিণ ফোরামে আলোচনা করতে হবে।”
দলের সতর্কবার্তা না মানলে দলও কঠোর হবে বলে জানান অপর এক নেতা।
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রহমান বলেন, “এসবের জন্য সতর্ক করা হচ্ছে এবং তাদএর সাবধানতা অবলম্বন করার জন্য বলা হচ্ছে।”
আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, গণতন্ত্রের চর্চা আছে। তবে এর মানে এই নয় যে একজন আরেকজনের বিরুদ্ধে বিষেদাগার করবে।
