মিয়ানমারে ফেসবুক বন্ধের নির্দেশ

Heavily armed Myanmar army troops patrol Kyinkanpyin area in Maungdaw town located in Rakhine near the Bangladesh border on October 16, 2016. Three police officers were attacked with machetes in restive northwestern Myanmar on October 15 by assailants who were shot dead, the military has said, amid lethal violence that authorities have blamed on homegrown Islamist insurgents. Security forces have killed at least 29 people since attacks were launched the previous week on police posts along the Bangladesh border, according to state media. / AFP / KHINE HTOO MRAT (Photo credit should read KHINE HTOO MRAT/AFP/Getty Images)

ফাতেহ ডেস্ক:

গণতান্ত্রিক সরকারের বিরুদ্ধে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর অভ্যুত্থানের ঘটনায় দেশজুড়ে যাতে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি না হয় তার জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক বন্ধ করে দিতে ইন্টারনেট সেবাদাতাদের নির্দেশ দিয়েছে সামরিক সরকার।

বৃহস্পতিবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে দেশের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ফেসবুক বন্ধ থাকবে।

ফেসবুক ব্যবহারকারীরা জানিয়েছে, তারা ফেসবুকে ঢুকতে পারছেন না। এদিকে গতকাল বুধবার মিয়ানমারের তরুণ ও শিক্ষার্থীরা অসহযোগ কর্মসূচির ডাক দেন। তাদের সেই ডাকে ফেসবুক পেজে হাজার হাজার লাইকও পড়ে।

ইয়াঙ্গুন এবং অন্যান্য শহরের লোকজন সোমবারের অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে বুধবার রাতে হাঁড়ি, কলসি ও গাড়ির হর্ন বাজিয়েছে। প্রতিবাদের সেই ছবিগুলি ফেসবুকে ব্যাপক প্রচারিত হয়েছে। যা বিশ্ব গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে।

যোগাযোগ ও তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে, এই পরিস্থিতিতে দেশটির জনগণ ফেইক নিউজের কারণে ফেসবুক ব্যবহার করা মানুষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি করতে পারে।

এদিকে, সু চির বিরুদ্ধে গতকাল বেশ কয়েকটি অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। এসব অভিযোগে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রিমান্ডে থাকবেন সু চি। সু চির দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) একজন মুখপাত্র জানান, সু চির বিরুদ্ধে আমদানি-রফতানি আইনে অভিযোগ করা হয়েছে। সু চির বিরুদ্ধে বেআইনি যোগাযোগযন্ত্র রাখার অভিযোগও করেছে পুলিশ। যে এফআইআর পাওয়া গেছে, তাতে বলা হয়েছে, নেপিডোতে সু চির বাসভবনে অবৈধ ওয়াকিটকি পাওয়া গেছে। অভিযোগে পুলিশ বলেছে, এসব অবৈধভাবে আমদানি করেছেন সু চি।

মিয়ানমারের যোগাযোগ ও তথ্য মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে বলা হয়েছে, দেশের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ফেসবুক বন্ধ থাকবে। ইন্টারনেট সেবাদাতাদের এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তবে ফেসবুকের এক নারী মুখপাত্র মিয়ানমারের সেনা সরকারের ওই নির্দেশনা প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, আমরা কর্তৃপক্ষকে সংযোগ পুনরায় বহাল করার আহ্বান জানাচ্ছি যাতে করে মিয়ানমারের মানুষ তাদের পরিবার এবং বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখতে এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেতে পারে।

আগের সংবাদঅভিজিৎ হত্যা মামলার রায় ১৬ ফেব্রুয়ারি
পরবর্তি সংবাদদেশের সব জায়গায় দুর্নীতি হয়: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী