উইঘুর মুসলিমদের গণহত্যায় জাতিসংঘের প্রতিটি ধারার লঙ্ঘন করেছে চীন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

মঙ্গলবার একটি প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক থিংক ট্যাংক নিউলাইন ইনস্টিটিউট ফল স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড পলিসি। প্রতিবেদনটি তৈরী করেছে মানবাধিকার, যুদ্ধাপরাধ ও আন্তর্জাতিক আইনের অর্ধশতাধিকেরও বেশি বিশেষজ্ঞ। তাতে বলা হয়েছে, ইঘুর মুসলমানদের বিরুদ্ধে চলমান গণহত্যার রাষ্ট্রীয় দায় চীন সরকারকে বহন করতে হবে। এতে জাতিসংঘের গণহত্যা কনভেনশনের প্রতিটি ধারার লঙ্ঘন ঘটেছে।

জিনজিয়াংয়ের গণহত্যার অভিযোগের ওপর এই প্রথমবারের মতো কোনো বেসরকারি সংস্থা স্বাধীন আইনগত বিশ্লেষণ দিয়েছে। এমনকি অভিযোগে উঠে আসা অপরাধের কী কী দায় চীনের ওপর বর্তায় প্রতিবেদনেও তাও উল্লেখ করা হয়েছে।

নিউলাইনের বিশেষ উদ্যোগগুলোর পরিচালক ও প্রতিবেদনের সহ-লেখক আজিম ইব্রাহীম বলেন, গণহত্যার অভিযোগ প্রমাণে বিপুল তথ্য-উপাত্ত রয়েছে। বিশ্বের অন্যতম পরাশক্তির নেতৃবৃন্দ এই গণহত্যার মূল পরিকল্পনাকারী।

১৯৪৮ সালের ডিসেম্বরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভায় গণহত্যার কনভেনশনের অনুমোদন দেওয়া হয়। যাতে এই অপরাধের সুস্পষ্ট সংজ্ঞা উল্লেখ করা হয়েছে। ১৫১টি দেশের সঙ্গে চীনও এই কনভেনশনে সই করেছে।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, জাতিগত, নৃতাত্ত্বিক, কোনো সম্প্রদায় ও ধর্মীয় গোষ্ঠীকে পুরোপুরি কিংবা আংশিক ধ্বংস করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা কাজই গণহত্যা।

উল্লেখ্য, অঞ্চলটিতে বিশাল বন্দিশিবিরে ২০ লাখের বেশি উইঘুর ও অন্যান্য মুসলমানদের আটক করে রাখা হয়েছে। তাদের ধর্মীয় স্বাধীনতা হরণ, যৌন নির্যাতন ও বলপূর্বক সন্তান জন্মদান রোধ করে দেওয়া হয়েছে।

সূত্র: সিএনএন

আগের সংবাদযুক্তরাষ্ট্রে বিক্ষোভ মিছিল, ইজরাইল বয়কটের ডাক
পরবর্তি সংবাদবাংলাদেশে রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি ওআইসি মহাসচিবের