
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
একদিকে চীনের দুর্বল অর্থনীতি নিয়ে উদ্বেগ। অন্যদিকে আবারও সুদহার বাড়িয়ে দিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। যার প্রভাব পড়েছে অপরিশোধিত তেলের দামে।
আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, দুর্বল অর্থনীতির হাল ধরতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে চীন। তবে এতেও বিনিয়োগকারীরা তেমন একটা আস্বস্ত হতে পারছেন না। এদিকে সম্প্রতি মূল্যস্ফীতি সামাল দিতে প্রয়োজনে সুদহার বাড়ানোর কথা জানিয়েছেন মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েল।
এসব কারণে সোমবার (২৮ আগস্ট) বেড়েছে অপরিশোধিত তেলের দাম। এদিন ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১৯ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ঠেকে ৮৪ দশমিক ৬৭ ডলারে।
এছাড়া ইউএস ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট ক্রুডের দাম ২৬ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ব্যারেল প্রতি দাঁড়ায় ৮০ দশমিক শূন্য ৯ ডলারে।
এর আগে শুক্রবার (২৫ আগস্ট) মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েল মূল্যস্ফীতির হার নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনে সুদহার বাড়ানোর কথা জানান, সেসময়ে উভয় বেঞ্চমার্কের দামই কমে আসে।
সে সময়ে মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েল বলেছিলেন, দেশে মূল্যস্ফীতি কমতে শুরু করেছে, তবে এখনও এটি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক বেশি রয়েছে। এ অবস্থায় প্রয়োজন হলে সুদের হার আরও বাড়াতে পারে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
