
‘একতরফা প্রহসনের নির্বাচন’ বাতিল, বিতর্কিত শিক্ষা কারিকুলাম পরিবর্তন ও ট্রান্সজেন্ডারকে প্রমোট করার প্রতিবাদে আগামী ৩১ জানুয়ারি সারাদেশে জেলা ও মহানগরে বিক্ষোভ এবং ৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় বিক্ষোভ সমাবেশ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দলটি। এছাড়াও আগামী ১৫ থেকে ২৯ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে ১৫ দিনব্যাপী দাওয়াতি পক্ষের মাধ্যমে নতুন সদস্য সংগ্রহ কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
শনিবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে পুরানা পল্টনের কার্যালয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মজলিসে আমেলার সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই বলেছেন, দেশের শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং দেশের রাজনীতিও এখন আর দেশ থেকে নিয়ন্ত্রণ হয় না। দেশের সবকিছুই নিয়ন্ত্রণ হয় পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে। সরকার দেশ পরিচালনায় সার্বিকভাবে ব্যর্থ হয়েছে। তারা দেশে সুশাসন উপহার দিতে পারেনি।
পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, সরকারের বারবার ব্যর্থতার কারণেই মূল্যস্ফীতি এখন সকল সময়ের সীমা অতিক্রম করেছে। ভেঙে পড়েছে জাতীয় অর্থনীতি। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে সরকার জনগণের সমস্যা সমাধানে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি বরং তারা যা করছে তার সঙ্গে জনগণের স্বার্থের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। সরকার এখন ডামি ও প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা জবর দখল করে জনগণকে শোষণ করছে। সরকার এখন ভোট ডাকাতির নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করার জন্য মরিয়া।
‘তামাশা’ ও ‘ভাগবাটোয়ারার’ নির্বাচন বাতিল করে জাতীয় সরকারের অধীনে নতুন নির্বাচনের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, জনগণের দাবিকে উপেক্ষা করে সরকার একতরফা প্রহসনের ডামি নির্বাচনের পর দ্রব্যমূল্যের বাজারে আগুন। সরকার নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম নিয়ন্ত্রণে চরমভাবে ব্যর্থ।
মহাসচিব প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত আমেলার সভায় উপস্থিত ছিলেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য আলহাজ খন্দকার গোলাম মাওলা, অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, সহকারী মহাসচিব প্রিন্সিপাল মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ প্রমুখ।
