
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
তালেবানের সঙ্গে ছয় দিনের শান্তি আলোচনা শেষে নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন দূত জালমি খলিলজাদ বলেন, আমরা চুক্তির কাঠামোর একটি খসড়া তৈরি করেছি। পূর্ণাঙ্গ চুক্তিতে রূপ দিতে এটিতে আরও অনেক তথ্য যোগ করতে হবে।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ও ব্যক্তিগের প্লাটফর্ম হওয়া থেকে আফগানিস্তানকে সুরক্ষা দিতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেবে তালেবান। এমন প্রতিশ্রুতিই দিয়েছেন তালেবানের প্রতিনিধিরা।
সতেরো বছর ধরে চলা আফগান যুদ্ধের অবসানে রূপরেখা তৈরিতে কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবান। সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের এক বিশেষ দূতের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এমন তথ্য জানিয়েছে।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের মূল দাবিগুলো তালেবান মানবে বলে কোনো আভাস পাওয়া যাচ্ছে না।
আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের আগে একটি যুদ্ধবিরতি কিংবা কাবুলে মার্কিন মদদপুষ্ট সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসার দাবিতে তালেবান সম্মতি দিয়েছে। যদিও এ সম্মতির ব্যাপারে তাদের কাছ থেকে কোনো নিদর্শন পাওয়া যায়নি।
ওয়াশিংটনের থিংকট্যাংক মধ্যপ্রাচ্য ইনস্টিটিউটের ফেলো আহমাদ মাজিদার বলেন, দোহা আলোচনার অগ্রগতি এ পর্যন্ত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হয়েছে। কিন্তু একটি চূড়ান্ত চুক্তির নিশ্চয়তা পেতে অনেক দূর যেতে হবে।
মার্কিন মদদপুষ্ট আফগান সরকারের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, কাতারের আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। কিন্তু যুদ্ধবিরতির সময় নির্ধারণে আরও আলোচনায় পৌঁছাতে হবে। দুপক্ষের মধ্যে আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারির বৈঠকে এটিই হবে মূল ইস্যু।
এইচআর/
