
ফাতেহ ডেস্ক
সোনালী কাবিন, লোক-লোকান্তর, বখতিয়ারের ঘোড়ার মতো স্মরণীয় কাব্যগ্রন্থের স্রষ্টা আল-মাহমুদের লেখনীতে বিকাশ হয়েছে বাংলা ভাষায় আধুনিক কবিতার। একাধারে একজন কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, ছোটগল্প লেখক, শিশুসাহিত্যিক এবং সাংবাদিক তিনি। বর্ণাঢ্য জীবনে পেয়েছেন বাংলা একাডেমি ও একুশে পদকসহ নানা পুরস্কার।
আধুনিক বাংলা কবিতাকে নতুন আঙ্গিকে, চেতনায় আর বাক্ভঙ্গিতে বিশেষভাবে সমৃদ্ধ করেছেন কবি আল মাহমুদ। প্রকৃত নাম মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ। জন্মেছিলেন ১৯৩৬ সালের ১১ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মোড়াইল গ্রামে। কবিতা ছাড়াও তার অসামান্য কলমে ঐশ্বর্য্য বেড়েছে কথা সাহিত্য ও শিশু সাহিত্যের।
লিখেছেন সোনালি কাবিন, মায়াবি পর্দা দুলে ওঠো, বখতিয়ারের ঘোড়া, কালের কলস এর মতো ৩৭টি কবিতার বই। প্রকাশিত হয়েছে শতাধিক গল্প, উপন্যাস ও প্রবন্ধ। তার লেখা পানকৌড়ির রক্ত ছোটগল্প নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে নির্মিত হয়েছে চলচ্চিত্র।
আধুনিক বাংলা কবিতার শহরমুখী প্রবণতার মধ্যেই তিনি তুলে এনেছেন লোকায়ত বাংলার নানা মোটিফ। মানবীয় প্রেম-বিরহকে আন্তরিকতার সঙ্গে তুলে এনেছেন কাব্যের জগতে। শিল্পকলা একাডেমিতে চাকরির পাশাপাশি দীর্ঘসময় করেছেন সাংবাদিকতা।
সাহিত্যে অবদানের জন্য ১৯৬৮ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার এবং ১৯৮৭ সালে একুশে পদক পান কবি আল মাহমুদ।
