
ফাতেহ ডেস্ক
নওগাঁয় খাদিজা নামে এক গৃহবধূ বিষপানে আত্মহত্যা করেছেন। স্থানীয় এক ডাক্তারের চেম্বারে সহকারী হিসেবে কাজ করতেন তিনি। ডাক্তার তাকে সুযোগ বুঝে নিজ চেম্বারে ধর্ষণ করে। খাদিজা মারা যাওয়ার পর তার ফোন রেকর্ড থেকে যৌন নিপীড়নের বিষয়টি স্পষ্ট হলে এ ঘটনায় মামলা করেন নিহত গৃহবধূর বাবা।
শুক্রবার (২৫ জানুয়ারি) চিকিৎসক হেলাল আহম্মেদ লিটনকে তার চেম্বার থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও নিহতের আত্মীয়-স্বজন জানান, ৫ বছর আগে শহরের পাটালীর মোড়ে শাহিন হোসেনের বাসার দুটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে পাইলস কিউর সেন্টার স্থাপন করে নড়াইল জেলার নড়াগাতী থানার কলাবাড়িয়া শিবপুর গ্রামের ডা. হেলাল আহম্মেদ।
সপ্তাহ তিনেক আগে আয়া কাম চেম্বার সহকারী হিসেবে সেখানে চাকরি নেন এক সন্তানের জননী খাদিজা আকতার। গত ১৮ জানুয়ারি বিকেলে হেলাল তার চেম্বারে একা পেয়ে খাদিজাকে ধর্ষণ করে।
এ বিষয়ে নওগাঁ সদর মডেল থানার ওসি আব্দুল হাই বলেন, ডা. হেলালকে তার পাটালীর মোড়ের চেম্বার থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে খাদিজা আকতারকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে ডা. হেলাল।
