
ফাতেহ ডেস্ক
কোচিং বাণিজ্য বন্ধে সরকারের নীতিমালা বৈধ বলে রায় দিয়েছে হাইকোর্ট। নীতিমালা অনুযায়ী স্কুল-কলেজের শিক্ষকরা প্রতিষ্ঠানপ্রধানের অনুমতি নিয়ে সীমিত আকারে প্রাইভেট পড়াতে পারবেন। কিন্তু বিজ্ঞাপন দিয়ে কোচিং করাতে পারবেন না।
২০১২ সালে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য বন্ধে নীতিমালা করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। পরে সেই নীতিমালার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন বেশ কয়েকজন শিক্ষক। রিটগুলির শুনানি শেষে জানুয়ারির শেষ দিকে রায়ের দিন ঠিক করেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার সরকারের এই নীতিমালাকে বৈধ বলে রায় দেয় হাইকোর্ট। নীতিমালা অনুযায়ী, এখন থেকে কোন শিক্ষক নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীকে কোচিং করাতে পারবেন না।
তবে প্রতিষ্ঠান প্রধানের অনুমতি নিয়ে অন্য প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ ১০ জনকে প্রাইভেট পড়াতে পারবেন। এক্ষেত্রে কোচিংয়ের জন্য কোন বিজ্ঞাপন বা বাসা ভাড়া নিতে পারবেন না তারা।
রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দুদকের কাজ করা উচিত। এক্ষেত্রে আর্থিক খাতের দুর্নীতির বিষয়ে তাদের মনোযোগি হতে হবে। আদালত বলেন, দণ্ডবিধির ১৬৬ ধারা অনুযায়ি বেসরকারি স্কুল-কলেজে তারা অনুসন্ধান করতে পারবে না। শুধু সরকারি স্কুল-কলেজে অনুসন্ধান করতে পারবে।
নীতিমালায় বলা হয়েছে, বিজ্ঞাপন দিয়ে স্কুল,কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ১০ জনের বেশি শিক্ষার্থীকে কোচিং করাতে পারবে না।
