এ বছর ১ লাখ ২৭ হাজার জন হজযাত্রী যাবেন হজে

নিজস্ব প্রতিবেদক: ২০১৮ সালে বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন হজযাত্রী পবিত্র হজ পালনের জন্য সৌদি আরব যাচ্ছেন। আগামী জুলাই মাসের ১৪ তারিখ থেকে শুরু হবে হজফ্লাইট। ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন হজযাত্রীর এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭ হাজার ১৯৮ জন এবং অবশিষ্ট ১ লাখ ২০ হাজার বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যাচ্ছেন। ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান গণমাধ্যমকে এমন তথ্য নিশ্চিত করেছে। মতিউর রহমান বলেন, অন্য বছরের মতো এবারও মোট হজযাত্রীর শতকরা ৫০ ভাগ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস লিমিডেট এবং ৫০ ভাগ সৌদি এয়ারলাইনস বহন করবে। ধর্মমন্ত্রী আরো বলেন, এ বছর  সৌদি সরকার সব ধরনের ক্রয় ও সেবার ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ হারে ভ্যাট আরোপ করেছে, যা গত ১ জানুয়ারি ২০১৮ থেকে কার্যকর হয়েছে। আবাসন, খাদ্য ও পরিবহনের ওপর এর প্রভাব পড়বে। তবে রাজকীয় সৌদি সরকার কর্তৃক আরোপিত ভ্যাটের প্রভাব যাতে হজযাত্রীদের ওপর আর্থিক প্রভাব সৃষ্টি না করে, সে বিষয়টিও বাংলাদেশের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় খেয়াল রেখে হজের সকল আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেছে। মন্ত্রী বলেন, সৌদি সরকার নিরাপত্তার প্রশ্নে সব ধরনের শৃঙ্খলার জন্য কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এ বিষয়ে হজ এজেন্সিসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। বেসরকারি ব্যবস্থাপনার হজ এজেন্সিগুলোকে হজযাত্রীদের প্রতি আরও যত্নবান ও দায়িত্বশীল হওয়ার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘হজযাত্রীদের প্রতি কোনো ধরনের অবহেলা বা প্রতারণা আমরা সহ্য করা হবে না। অন্যায়কারী যে-ই হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব। হজ নীতিমালা, হজ প্যাকেজ এবং বাংলাদেশ ও সৌদি সরকারের বিভিন্ন নির্দেশাবলি যথাযথভাবে অনুসরণ করে হজযাত্রীদের প্রতি দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করবেন।’ মতিউর রহমান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে গত নয়টি হজ অত্যন্ত সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ২০১৬ সাল হতে পুরোপুরি ই-হজ পদ্ধতি প্রবর্তিত হয়েছে। ই-হজ পদ্ধতিতে আমরা বিগত বছর সফলতার সঙ্গে হজ কার্যক্রম সম্পন্ন করেছি।’

এদিকে হজ নিয়ে ভিন্ন  কথা বলছেন বেসরকারী হজ এজেন্সিগুলো।আবাবিল এয়ার ওয়েজের সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা বলেন, আগে হজ ব্যবস্থাপনা ছিলো আরো সাজানো-গুছানো যেমনটি এখন আর নেই।এখন কোন হজ যাত্রীকে তার হজ নিশ্চিত করতে হলে দুবছর আগে থেকেই নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হচ্ছে তা না হলে হজে যাওয়ার কোন সম্ভাবনা থাকে না। সরকারের ব্যর্থতায় এমনটি হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সে কর্মকর্তা জানান এই পদ্ধতির ফলে দুবছর আগে তৈরি থাকা কোন হাজীর আর্থিক বা শারীরিক সক্ষমতা এক সমান না থাকায় কোন কোন সময় বাতিল করতে হচ্ছে হজযাত্রা।

বিজ্ঞাপন
আগের সংবাদইস্তেগফার এবং তাওবা মুমিনের রিজিক বৃদ্ধি করে
পরবর্তি সংবাদগাসিক নির্বাচনে ইসলামী ঐক্যজোট মেয়র প্রার্থীর নির্বাচনী ইশতেহার