‘ইরাকে যত দিন প্রয়োজন মার্কিন সৈন্য থাকবে’

ফাতেহ ডেস্ক: যতদিন প্রয়োজন ততদিন ইরাকে মার্কিন সেনারা থাকবে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক জোট। রোববার আবুধাবিতে সংবাদ সম্মেলনে জোটের মুখপাত্র কর্নেল সিন রায়ান এ তথ্য জানিয়েছেন।

সিন রায়ান বলেন, ‘যতদিন আমরা প্রয়োজন মনে করছি ততদিন আমরা সেনা রাখব। এর প্রধান কারণ হচ্ছে, আইএসআইএসের (ইসলামিক স্টেট) পরাজয়ের সামরিকভাবে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায়ের চেষ্টা এবং তার জন্য আমাদের এখনো সেখানে থাকা প্রয়োজন।’

তিনি বলেন, ইরাকি বাহিনীর প্রশিক্ষণে সহায়তার জন্য ন্যাটোর অন্যান্য বাহিনী কখন মোতায়েন করা হবে, তার ওপর নির্ভর করে মার্কিন বাহিনী কমানো। বর্তমানে ৫ হাজার ২০০ মার্কিন সৈন্য আছে বলে জানান তিনি।

ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে তিন বছর ধরে যুদ্ধের পর ইরাকের স্থিতিশীলতায় সহায়তা করতে ন্যাটোকে আহ্বান জানায় যুক্তরাষ্ট্র। এরপর গত ফেব্রুয়ারিতে ন্যাটো প্রতিরক্ষা মন্ত্রীরা ইরাকে আরো বড় আকারে প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ মিশন চালাতে সম্মত হন। মসুলে আইএসের প্রধান ঘাঁটি দখলের প্রায় পাঁচ মাস পর গত ডিসেম্বরে তাদের ওপর জয়ের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয় ইরাক।

সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের নামে ২০০৩ সালে ইরাকে সামরিক আগ্রাসন চালায় আমেরিকা। সাদ্দামের পতনের পর ২০১১ সালে ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা হয়। ২০১৪ সালে আইএস ইরাকে সহিংসতা শুরু করে।

ওই সময় আইএস দমনের নামে আবারো সেখানে সেনা পাঠান তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিলেও তার কোনো বাস্তবায়ন হয়নি।

বিজ্ঞাপন
আগের সংবাদবকেয়া না পেয়ে বিপাকে বিভিন্ন জেলার চামড়া ব্যবসায়ী
পরবর্তি সংবাদকুরবানীর নেসাব বা কুরবানী যখন ওয়াজিব