
রোহিঙ্গা নিয়ে একাধিক পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন।জার্মানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডয়েচে ভেলেকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে মন্ত্রী রোহিঙ্গা ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার পরিকল্পনার কথা জানান।
তিনি বলেন, রোহিঙ্গা আমাদের দেশের জন্য একটি বড় সমস্যা৷ তবে আমাদের প্রধানমন্ত্রী তাদের আশ্রয় দেয়ায় পৃথিবী একটি বড় রকমের হত্যাযজ্ঞ থেকে রেহাই পেয়েছে৷ তবে তারা আমাদের দেশে বেশি দিন থাকলে এই এলাকায় অস্থিতিশীলতা দেখা দেবে৷ তাতে অনেকের অনেক ক্ষতি হবে৷
সে জন্য এর সমাধান আমাদের অতিতাড়াতাড়ি করতে হবে৷ আমরা আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্রের ওপর বিশ্বাস করেছিলাম যে, তারা যে আয়োজন করেছে, সেভাবে তাদের লোকগুলোকে ফেরত নিয়ে যাবে৷ কিন্তু সে ব্যাপারে তারা খুব অগ্রসর হচ্ছে না৷
এ কারণে একাধিক পরিকল্পনা আমাদের হাতে আছে৷ আমরা চাই- একটি ‘সেফ জোন ইনসাইড রাখাইন’ করতে৷ মিয়ানমারের বন্ধু রাষ্ট্রগুলোই ওখানে তদারকি করবে৷ এটিতে আমার ধারণা হয়তো মিয়ানমার রাজি হবে৷
বিদেশি শক্তি নয়, তাদেরই আসিয়ান, চায়নাকে দিয়ে একটি সেফ জোন করা৷ এটি হবে ইউএন মডেল৷আরেকটি হলো, ইন্টারিম পিরিয়ডে তাদের (রোহিঙ্গা) আমরা বিভিন্ন দেশে শেয়ার করতে পারি৷ তা ছাড়া এদের আমরা বিভিন্ন কাজে নিয়োগের চিন্তা করছি৷
এ রকম কিছু পরিকল্পনা আমাদের আছে। তবে সবই নির্ভর করছে মিয়ানমারের অবস্থার ওপর৷ তারা কতটুকু সহনশীল হয়, তারা পৃথিবীর আইনগুলো কতটুকু মানে, তার ওপর৷
এ ক্ষেত্রে ভারত ও চীনের বিশেষ ভূমিকা রাখা উচিত৷ কারণ মিয়ানমার চীনের কথা শোনে৷ আর এখানে কোনো অশান্তি বা অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হলে ভারতসহ সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
