
ফাতেহ ডেস্ক: রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানে নতুন মজুরি কাঠামো কার্যকরে লোকসান আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছে বাংলাদেশ পাটকল কর্পোরেশন-বিজেএমসি।
সংকট কমাতে পাটকলের জন্য আলাদা বেতন কাঠামো করার প্রস্তাব করছে তারা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টেকসই সুফল পেতে এসব প্রতিষ্ঠানকে বেসরকারি খাতে ছেড়ে দিতে হবে।
সম্প্রতি রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প কারখানায় কর্মরত শ্রমিকদের বেতন-ভাতা দ্বিগুণ করার প্রস্তাব অনুমোদন করে সরকার। এতে শ্রমিকদের সর্বনিম্ন বেতন ৮ হাজার ৩০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন ধরা হয়েছে ১১ হাজার ২০০ টাকা।
সরকারি সংস্থা হিসেবে বিজেএমসিকেও মানতে হবে এই নিয়ম। কিন্তু এতে দুশ্চিন্তা বেড়েছে প্রতিষ্ঠানটির। লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে নানা পদক্ষেপ নিলেও কাজের কাজ হচ্ছে না কিছুই।
বরং লোকসানি বৃত্তের মধ্যে আটকে আছে সংস্থাটি। এর মধ্যে নতুন স্কেলে বেতন দিতে গেলে আর্থিক সংকট আরও গভীর হবে বলে মনে করেন বিজেএমসির চেয়ারম্যান।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতি বছর লোকসান কমাতে সরকারি অর্থ ব্যয়ের যৌক্তিকতা নেই। পাট খাতের বিকাশে প্রয়োজন দুর্নীতির লাগাম টানা। পাশাপাশি বেসরকারি অংশীদারিত্বে পরিচালনার ব্যবস্থা নেয়া।
সবশেষ ২০১০ সালে জাতীয় মজুরি ও উৎপাদনশীলতা কমিশন রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পের শ্রমিকদের মজুরি প্রায় ৭০ শতাংশ বাড়িয়েছিল। ওই সময় সর্বোচ্চ মজুরি ৫ হাজার ৬০০ টাকা এবং সর্বনিম্ন ৪ হাজার ১৫০ টাকা নির্ধারণ করে মজুরি কাঠামো ঠিক করা হয়েছিল।
