
ফাতেহ ডেস্ক :
গতকাল ৪ নভেম্বর (সোমবার) পটিয়া উপজেলাধীন কওমি মাদরাসাসমূহে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনামা বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে নির্বাহী উপজেলা অফিসারের স্বাক্ষরিত একটি নির্দেশনামা পাঠানো হয় সাত মাদরাসায়। নির্দেশনামায় মাদরাসাগুলোতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া, প্রত্যহ এসেম্বলির ব্যবস্থা গ্রহণ ও ক্লাসে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস পড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাবিবুল হাসান স্বাক্ষরিত নির্দেশনামায় প্রধানমন্ত্রীর বরাত দিয়ে এসব নির্দেশাবলি যথাযথ বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না, তাও কার্যালয়কে জানাতে অনুরোধ করা হয়।
উল্লেখ্য, গত ১৯ সেপ্টেম্বর ‘কওমি মাদরাসা সমূহের দাওরায়ে হাদিস (তাকমীল)-এর সনদকে আল হাইআতুল উলয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’ এর অধীনে মাস্টার্স ডিগ্রি (ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবি) সমমান প্রদান বিল ২০১৮’ জাতীয় সংসদে পাস হয়।
২০১৮ সালের ৪৮ নং অাইনে এ সংক্রান্ত বিলটি অন্তর্ভুক্ত করা হয়। প্রকাশিত গেজেটে বলা হয়, যেহেতু কওমি মাদরাসার স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য ও স্বকীয়তা বজায় রাখিয়া দারুল উলুম দেওবন্দের মূলনীতিসমূহকে ভিত্তি ধরিয়া ‘আল-হাইআতুল উলয়া লিল জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’ এর অধীন কওমি মাদরাসার দাওরায়ে হাদিস (তাকমীল)-এর সনদকে মাস্টার্স ডিগ্রি (ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবি)-এর সমমান প্রদানসহ আনুষঙ্গিক বিষয়ে বিধান করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়।
গেজেটে প্রকাশিত আইন অনুযায়ী প্রশাসনের এই নির্দেশে দারুল উলুম দেওবন্দের মূলনীতি ও কওমি মাদরাসার স্বাতন্ত্র্য, বৈশিষ্ট্য ও স্বকীয়তার কোনো খেলাপ আছে কি না, এ বিষয়ে কারও থেকে কোনো বক্তব্য এ যাবৎ পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, গত ৪ নভেম্বর ২০১৮ কওমি মাদরাসার সনদের স্বীকৃতি বাস্তবায়নের কৃতজ্ঞতাস্বরূপ ‘আল-হাইআতুল উলয়া লিল জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’-এর উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনায় শুকরানা মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
